কুড়িগ্রামে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার ও শাস্তি প্রদান প্রক্রিয়া বিধিসম্মত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘কুড়িগ্রামে একজন সাংবাদিককে যেভাবে ঘর থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র কোর্ট বসিয়ে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, আমার দৃষ্টিতে এটি কোনোভাবেই বিধিসম্মত হয়নি। অ্যাটর্নি জেনারেল ইতিমধ্যেই তার বক্তব্যে এভাবে মধ্যরাতে অন্যত্র কোর্ট বসানো যায় না বলে মতামত দিয়েছেন।’ গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বেতার ভবনে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যতদূর দেখে আসছি, মোবাইল কোর্ট ঘটনাস্থলেই বসাতে হয়। একজনকে ধরে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র মোবাইল কোর্ট বসানো কোনোভাবেই বিধিসম্মত নয় এবং এটা যেভাবে ঘটানো হয়েছে, তা সমর্থনযোগ্য নয়। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। ডিসি হোন বা অন্য কর্মকর্তা হোন, যেই হোন, তিনি যদি আইনবহির্ভূতভাবে কোনো কাজ করে থাকেন, সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এবং অন্যরাও যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারাও এর দায় এড়াতে পারেন না। কারও কোনো অপরাধ থাকলে তার বিচারেরও নিয়মনীতি রয়েছে, কিন্তু এক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
অপর একজন সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজের এক দিন আগে তিনিসহ ৩২ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন সরকারদলীয় এক সাংসদ। এ বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার খোঁজখবর করছে।’
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোকসজ্জা করোনা সংক্রমণে কোনো প্রভাব ফেলবে কি নাএমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আলোকসজ্জা বরং করোনার কারণে চিন্তিত মানুষকে উজ্জীবিত করবে। প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে জনসমাগমপূর্ণ সব অনুষ্ঠান পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এবং আলোকসজ্জার সঙ্গে জনসমাগমের কোনো সম্পর্ক নেই বিধায় করোনা সংক্রমণে এর কোনো প্রভাবও নেই।