বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে ‘বিদ্রোহী’

করোনাভাইরাসের আতঙ্কে ১৮ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দেশের সব সিনেমা হল। স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে সিনেমা হলগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি। সুখবর হলো এই করোনা আতঙ্কের মধ্যেই মুক্তির অনুমতি পেল শাহিন সুমন পরিচালিত শাকিব খান ও বুবলী জুটির নতুন সিনেমা ‘বিদ্রোহী’। গত সোমবার সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে সিনেমাটি। নিশ্চিত করেছেন পরিচালক নিজেই। গত ১৭ মার্চ থেকে সারা দেশে পালিত হচ্ছে মুজিববর্ষের আয়োজন। এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা হচ্ছে ‘বিদ্রোহী’। পরিচালক শাহিন সুমন বলেন, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে আমাদের ছবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করছি। খুশির খবর হলো ছবিটি সেন্সর ছাড় পেয়েছে। আসছে ঈদুল ফিতরে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।’ ‘বিদ্রোহী’ সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে শাপলা মিডিয়া। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবাগত মৃদুলা, সাদেক বাচ্চু, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান, শিবা সানু, ডন, সাবেরী আলম প্রমুখ।

এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে শাকিব খান কোনো শ্যুটিং করবেন না বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হওয়া অনন্য মামুনের ‘নবাব এলএলবি’র শ্যুটিং দিয়েই তিনি আবার কাজে ফিরবেন। পরিকল্পনা আছে, এই সিনেমার শ্যুটিং ২৮ মার্চ থেকে শুরু করার। কারণ, এই সিনেমাটিও ঈদুল ফিতরে মুক্তির কথা ভেবেই নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে তার বিপরীতে আছেন মাহিয়া মাহি ও অর্চিতা স্পর্শিয়া। তবে করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে শাকিবের এই অভিনয় বিরতি আরও দীর্ঘ হবে। আর সব ঠিক থাকলে হয়তো ঈদুল ফিতরে শাকিবের ‘বিদ্রোহী’ ও ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমা দুটি মুক্তি পাবে। তাই যদি হয়, তবে তা হবে শাকিব ভক্ত ও হল মালিকদের জন্য সুখবর। কারণ, করোনার জন্য দীর্ঘদিন হল বন্ধ থাকায় ভক্তরা যেমন বড়পর্দাকে মিস করবে, তেমনি হল মালিকদেরও বেশ ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে। শাকিব খানের মতো শীর্ষ নায়কের একাধিক সিনেমা এলে হয়তো সেই ক্ষতি কিছুটা হলেও পূরণ হবে। দর্শকও দীর্ঘদিন পর বড়পর্দায় প্রিয় নায়কের সিনেমা দেখতেই ভিড় জমাবে।

দেশের এই প্রতিকূল পরিবেশে শাকিব শুধু নিজের কথাই ভাবছেন না। তিনিও অনেক তারকার মতো করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছেন ভক্তদের উদ্দেশে। গত বুধবার সন্ধ্যায় নিজের ফেইসবুক পেজে করোনাভাইরাস নিয়ে সচেতনতামূলক পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় এই নায়ক। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘নিয়মিত হাত ধুয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে এবং সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশা না করে এ ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠান, জনসভা, জনসমাগম আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।’ এই বার্তার শেষে তিনি করোনা প্রতিরোধের কিছু টিপসও তুলে ধরেছেন।