মাগুরার পেট্রলবোমা হামলার ৫ বছর আজ

স্বজনদের দাবি দ্রুত বিচার আদালতে নেই বিচারক

মাগুরার পেট্রলবোমা হামলার পাঁচ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ (২১ মার্চ)। এদিকে এক বছরেরও বেশি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য থাকায় আলোচিত এ মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। পাঁচ বছর ধরে এ নৃশংস বোমা হামলায় হতাহত আট পরিবারের সদস্যরা বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। এখনো তারা বয়ে বেড়াচ্ছেন সেই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের স্মৃতি।

২০১৫ সালের ২১ মার্চ সন্ধ্যায় মাগুরা সদরের মঘির ঢালে পেট্রলবোমা হামলায় মালিকগ্রামের আটজন বালুশ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে রওশন আলী, আবদুল মতিন, ইয়াদুল, শাকিল ও ইমরান নামে পাঁচজন মারা যান। এ সময় আহত হন নাজমুল, ইলিয়াস ও আরব আলী। হতাহতদের বয়স ছিল ২৫ থেকে ৪০-এর মধ্যে। এ ঘটনায় পরদিন সদর থানার ২৬ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

গতকাল শুক্রবার মালিকগ্রামে কথা হয় পেট্রলবোমায় হতাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। নিহত মতিনের বাবা টোকন বিশ্বাস বলেন, ‘আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসি চাই। আমার স্ত্রী ছেলের শোকে মারা গেছে।’ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি কাজী এস্কেন্দার আযম বাবলু বলেন, ‘এক বছরের অধিক সময় ধরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পদটি শূন্য। মামলাটি ওই আদালতে বিচারাধীন। বিচারক না থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণসহ অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিচারকাজ সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। আশা করছি, শিগগিরই পদটি পূরণ হয়ে বিচারকাজ শেষ হবে।’