মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের আতঙ্কে পৃথিবীর সব মানুষ যখন নিজের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তিত, তখন এই আতঙ্ক থেকে একেবারেই মুক্ত মাওরো মোরান্ডি নামে এক ইতালিয়ান। গত ৩০ বছর ধরে ভূমধ্যসাগরের একটি নির্জন দ্বীপে তিনি একাই বসবাস করছেন। সম্প্রতি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন। এ সময় করোনাভাইরাস নিয়ে নিজের ভাবনা ও পরামর্শের কথা জানান তিনি। লিখেছেন পরাগ মাঝি
৩০ বছরের বিচ্ছিন্নবাস
ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভূমধ্যসাগরের অনিন্দ্য সুন্দর এক ছোট্ট দ্বীপের একমাত্র বাসিন্দা মাওরো মোরান্ডি। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পৃথিবীর কোনায় কোনায় যেভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পৌঁছে গেছে তা থেকে বেশ নিরাপদ দূরত্বেই আছেন মাওরো। বলা যায়, নির্জন ওই দ্বীপে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় আছেন তিনি। যেহেতু সেখানে এখন আর কোনো মানুষের পা রাখার সম্ভাবনা নেই তাই ওই দ্বীপে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নেই বললেই চলে।
নিজের ইচ্ছাতেই নির্জন ওই দ্বীপে বসবাস শুরু করেছিলেন মাওরো। বিচ্ছিন্নবাস থেকে বহু বছর ধরে নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি। করোনাভাইরাসের প্রভাবে সামনের সপ্তাহ ও মাসগুলোতে হয়তো বাকি দুনিয়ার মানুষদেরও এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখিন হতে হবে।
৩১ বছর আগে পেশায় শিক্ষক ছিলেন মাওরো মোরান্ডি। এক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তিনি প্রথমবারের মতো বুদেলি দ্বীপে পা রেখেছিলেন। ইতালির সার্দিনিয়া উপকূলে এই দ্বীপের অবস্থান। তিন দশকেরও বেশি সময় আগে সেবার ইতালি থেকে পলিনেশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন মাওরো। কিন্তু পথিমধ্যে ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে বুদেলি দ্বীপে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে ভাগ্যান্বেষণে থাকা তার আরও কয়েকজন বন্ধু ছিলেন। অবস্থান নেওয়ার পর দ্বীপের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে যান মাওরো। প্রবাল প্রাচীরের ওই দ্বীপটির চতুর্পাশে কাচের মতো স্বচ্ছ পানি, বালুকাময় বেলাভূমি, অদ্ভুত সুন্দর সূর্যাস্ত আর প্রকৃতির প্রেমে পড়ে যান। পরে সবাইকে অবাক করে তিনি সেখানেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্ত থেকে টলাতে না পেরে বন্ধুরা তাকে ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমান।
ছোটবেলা থেকেই বেশ ডানপিটে ছিলেন মাওরো। স্কুলে শিক্ষকদের সঙ্গে খুব বেশি সখ্য ছিল না তার। বাড়িতে বাবা-মায়ের সঙ্গেও মতপার্থক্য আর ঝগড়া-বিবাদেই কেটেছে তার বহু সময়। নয় বছর বয়সেই বাড়ি থেকে একবার পালিয়েছিলেন। যৌবনে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিলেও সমাজ থেকে পালাতে চাইতেন প্রায়ই। এমন ইচ্ছা থেকেই ৫০ বছর বয়সে কয়েক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে একটি কাঠের ভেলায় চড়ে ইতালি ত্যাগ করেছিলেন।
বুদেলি দ্বীপে অবস্থান নিয়ে খুব শিগগিরই একে সম্পূর্ণরূপে নিজের আয়ত্তে নিয়ে এসেছিলেন মাওরো। বর্তমানে ৮১ বছর বয়সেও তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। এই নির্জন দ্বীপবাসের জন্য অনেকেই তাকে ইতালির রবিনসন ক্রুসো হিসেবে চেনে। প্রতি রাতেই তিনি পাথরে তৈরি একটি পুরনো কটেজে ঘুমান। ঘুম ভাঙার পর সকালের সুকোমল প্রকৃতি তাকে স্বাগত জানায়। দ্বীপের বিভিন্ন ঝোপঝাড়ে বিচরণ আর সমুদ্রের নানা রহস্য উন্মোচনকে তিনি খুব উপভোগ করেন। সকালে নাস্তা করার সময় কতগুলো পাখির সঙ্গে তিনি কথা বলেন। এই পাখিগুলো তার রান্নাঘরের জানালা ভেদ করে ভেতরে ঢুকে পড়ে আবার বাইরে উড়ে যায়।
দ্বীপে বাস করলেও নিজের দেশ ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণের খবরটি ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন মাওরো। তবে, নিজের নির্জন সাম্রাজ্যকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুরক্ষিত স্থান হিসেবে দাবি করেছেন তিনি। এছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে যারা ব্যক্তিগতভাবে সুরক্ষিত থাকতে চান তাদের জন্য কিছু পরামর্শও দিয়েছেন।
মোবাইল ফোনে সাক্ষাৎকারে সিএনএন ট্র্যাভেল’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাওরো বলেন, ‘আমি ভালো আছি। ভীত নই।’ এই মোবাইল ফোনটিই বর্তমানে তার বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। সোলার প্যানেলের সাহায্যে তিনি এটি চার্জ করেন। করোনাভাইরাস থেকে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখানে নিরাপদ বোধ করছি। এই দ্বীপ সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ। কোনো ঝুঁকি নেই এখানে। বাইরে থেকে এখানে কেউ আসছেন না। এমনকি এর কাছ দিয়ে চলমান কোনো নৌযানকে সচরাচর দেখা যাচ্ছে না।’
দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত নন
নিজে সুরক্ষিত থাকলেও আমাদের অনেকের মতোই পরিবার আর বন্ধুবান্ধব নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন মাওরো মোরান্ডি। কারণ তার আত্মীয় স্বজনের বসবাস ইতালির উত্তরাঞ্চলীয় শহর মোডেনায়। ইতালির বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে এই অঞ্চলটিতেই করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।
আত্মীয় স্বজনের প্রসঙ্গে মাওরো বলেন, ‘তারা কঠিন সময় পাড়ি দিচ্ছে।’
আর ইতালিতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কিছুটা প্রভাব মাওরোর ওপরও এসে পড়েছে। কারণ সমগ্র ইতালি লকডাউন করে দেওয়ার পর মূলভূমি থেকে কোনো খাদ্য সংগ্রহ করা এখন তার জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই দ্বীপে প্রায় সময়ই নৌকায় করে নানারকম খাবার নিয়ে আসে জেলেরা।
শীতকালে এই দ্বীপে কদাচিৎ কোনো ভ্রমণকারীরও আগমন ঘটে। কিন্তু করোনাভাইরাসের জন্য সবকিছু স্থবির হয়ে যাওয়ায় সেই সম্ভাবনাও এখন আর নেই। দ্বীপে আসা পর্যটকদের সঙ্গে খুব সহজেই মিশে যান মাওরো। এমনকি প্রায়ই নিজের খাবার তাদের সঙ্গে ভাগ করে খান।
এছাড়া নিঃসঙ্গ এই দ্বীপে সমুদ্রের গুণগান গেয়ে, বিশুদ্ধ বাতাস টেনে, জ্বালানি খড়ি সংগ্রহ করে, খাবার তৈরি করে এবং এইসব কর্মকা- ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেই সারা দিন কেটে যায় মাওরোর। সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমার খুব একঘেয়ে লাগে। সে সময় আমি দ্বীপের বেলাভূমি, প্রাণিজগৎ আর
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি তুলি। পরে কিছু এডিট করে এই ছবিগুলো আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করি। এই দ্বীপে আমার অসংখ্য ফুলও রয়েছে।’
মাওরো মোরান্ডি আশা করছেন খুব শিগগিরই করোনাভাইরাস পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে এবং সবকিছু আবারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে। আর সংক্রমণ যদি চলতেই থাকে তবে জুলাইয়ের আগে ওই দ্বীপে আর কোনো পর্যটকের পা রাখার সম্ভাবনা নেই। তাই নিঃসঙ্গ আরও একটি গ্রীষ্ম কাটিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন তিনি।
মহামারীর কারণে এখন ইতালিসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের যেসব মানুষকে একাকী বসবাস বা কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তাদের জন্য মাওরোর কয়েকটি টিপস রয়েছে। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে কয়েক সপ্তাহ নিঃসঙ্গ অবস্থায় থাকা খুব কঠিন কাজ নয়, বরং এই সময়টিতে মানুষেরা আত্মোপলব্ধির একটা সুযোগ পাবেন এবং মনকে পরিশুদ্ধ করতে পারবেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সবাইকে এই পরামর্শ দিয়েছেন। ভূমধ্যসাগরের কঠিন শীত উপেক্ষা করে বছরের পর বছর ধরে একা থাকাটা বেশ ভালো করেই সয়ে গেছে তার।
মাওরো বলেন, ‘প্রতি শীতেই আমি আমার ঘরের দরজা-জানালা এবং ফাঁক ফোকর কয়েক মাসের জন্য বন্ধ করে দিই। ছাউনির নিচে সামান্য একটি বারান্দায় দাঁড়িয়েই আমার পুরো শীতকাল কেটে যায়। এই সময়টি শেষ হয়ে গেলে আমি আবারও পাগলের মতো দ্বীপময় ঘুরে বেড়াই। তাই আমি মনে করি মাত্র গোটা কয়েক সপ্তাহ মানুষ বাড়ির মধ্যে অবস্থান করতে পারবে না, এটি একটি অবাস্তব ধারণা।’
গত কয়েকদিনে ইতালিতে নাগরিকদের কড়াকড়িভাবে বাড়ির ভেতরে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হলেও, জরুরি কোনো কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে এসে পার্কে ও বিচে ঘোরাঘুরি করার দায়ে কয়েকজনকে জরিমানাও করা হয়েছে।
পর্যটক থেকে নির্জনবাসী
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে যারা নিঃসঙ্গ সময় কাটাচ্ছেন তাদের উদ্দেশে মাওরো মোরান্ডি বলেন, ‘আমি প্রচুর পড়ি এবং চিন্তা করি। আমি মনে করি, অনেকে পড়তে ভয় পান এজন্য যে, তারা ভাবেন যদি তারা পড়তে শুরু করেন তবে তাদের মাথায় নানা চিন্তা এসে ভর করবে, ফলে এটা বিপজ্জনক হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি আপনি ভিন্ন কোনো দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিভিন্ন বিষয়কে বিচার ও সমালোচনা করেন, তবে দেখবেন কত করুণ জীবন আপনি যাপন করছেন অথবা কত খারাপ ব্যক্তি আপনি কিংবা কত কত খারাপ কাজ আপনি করেছেন।’
মাওরোর মতে, এই অন্তঃদর্শন চূড়ান্তভাবে ফলপ্রসূ হয়। স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, একসময় প্রতি বছরই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তিনি ঘুরে বেড়িয়েছেন। একজন তীব্র ভ্রমণপিপাসু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্জন দ্বীপে সন্ন্যাসীর মতো বসবাসেও অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন।
মাওরো বলেন, ‘আর ভ্রমণ করা উচিত নয় এমনটা আমি কখনোই ভাবিনি। আপনি যখন আপনার বসবাসের ঘরটিতে বা বুদেলি দ্বীপের এই ছাউনির নিচে অবস্থান করবেন, তখন সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে ভয়ংকর, রোমাঞ্চকর আর তৃপ্তিদায়ক ভ্রমণগুলো আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে। আর তাই বাড়ির ভেতরে থাকা ও কিছু না করা অনেকের জন্যই খুব কঠিন কাজ।’
নির্জন দ্বীপে বাস করেও কখনো একাকিত্ব অনুভব করেন না মাওরো। তার দৃষ্টিভঙ্গিতে, বেশিরভাগ মানুষই একা হতে চান না, কারণ তারা নিজের সঙ্গ অনুভব করতে পারেন না। বিভিন্ন দেশের শাটডাউন পরিস্থিতি মানুষকে এই ধরনের জটিলতার মুখোমুখি করেছে।
মাওরো বলেন, ‘বর্তমানে শাটডাউন পরিস্থিতি মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য হলেও, আমি মনে করি অধিকাংশ মানুষই তাদের বিচ্ছিন্নবাসের প্রতি অনীহা দেখাবে। কিছু মানুষ নির্দেশনা সঠিকভাবে মানলেও আরাম আয়েশ প্রিয় এবং উগ্র জীবনে অভ্যস্ত অনেক মানুষকেই এটি মানানো কঠিন হবে।’
নিঃসঙ্গ বুদেলি দ্বীপে স্বাভাবিক নিয়মেই মাওরোর সময় কেটে যাচ্ছে। এবার এত তীব্র শীত পড়েনি। বর্তমানে সেখানে বসন্তের আবহাওয়া বিরাজ করছে। সূর্যের তাপও প্রখর হয়ে উঠছে। এই দ্বীপে অন্য প্রাণীরা খুব স্বাধীন জীবনযাপন করে। দ্বীপে কোনো ধরনের দূষণও চোখে পড়ে না। পানির রং এখন অনেকটাই ফিরোজা, বুনো গাছপালাও এখন দারুণ সবুজ, দ্বীপের বেগুনি শিলাপাথরগুলো প্রাকৃতিক ভাস্কর্যের মতো দেখাচ্ছে, আর বাতাসও দারুণ স্বাস্থ্যকর।
মাওরো মোরান্ডি বলেন, ‘আমার বিড়ালটি কদিন আগে মৃত্যুবরণ করেছে। এটির ২০ বছর বয়স হয়েছিল। এই দ্বীপের আবহাওয়া সম্ভবত প্রাণীদের দীর্ঘায়ু দান করে।’
যা কিছু প্রয়োজন
ভূমধ্যসাগরের সবচেয়ে সুন্দর দ্বীপগুলোর একটি হলো বুদেলি। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই সমুদ্রের বুকে এটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। উপকথায় আছে, এই দ্বীপটি হলো সাগরে তলিয়ে যাওয়া পৌরাণিক শহর আটলান্টিসের একটি ভাঙা অংশ। তবে মাওরোর মতে, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের প্রকৃতি ধ্বংসের প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত নয় এই দ্বীপ।
খুব বেশি দিন হয়নি এই দ্বীপের তীর ঘেঁষে একটি গোলাপি আভা বিরাজ করত। নানা ধরনের গোলাপি ও কমলা রঙের মৃত কোরাল, স্ফটিক ও জীবাশ্মের সন্নিবেশে বহু কাল ধরে এমনটি দেখা গেছে। সূর্যাস্তের সময় গোলাপি আভাটিকে ঝলমলে স্ট্রবেরির মতো দেখায়।
মাওরো আফসোস করে বলেন, ‘সেই গোলাপি আভাটি প্রায় পুরোপুরি চলে গেছে। সেই রং দেখা এখন খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আর দ্বীপে বাতাসের প্রবাহও অনেকাংশে বদলে গেছে। এর সঙ্গে বদলে যাচ্ছে দ্বীপের বৈশিষ্ট্যও।’
ইতিপূর্বে এই দ্বীপের মালিকানা বহু হাত ঘুরেছে। ২০১৬ সাল থেকে দ্বীপটিকে সরকারি মালিকানাধীন জাতীয় পার্ক হিসেবে ঘোষণা করেছে ইতালি। তবে, মাওরোকে সেই দ্বীপে স্বাধীনভাবে বসবাস ও দ্বীপটি দেখাশোনা করার সুযোগ দিয়েছে কর্র্তৃপক্ষ। বসবাসের জন্য পানি গরম করার আরও একটি স্টোভ ছাড়া আর কিছু চাওয়ার নেই মাওরোর।