করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বড় ঝুঁকিতে চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ডাক্তার নার্সরা। এজন্য উন্নত দেশগুলোতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষায় করোনানিরোধী বিশেষ পোশাক পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) ব্যবহার করে থাকে। সাধারণত, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, চীন, তুরস্ক পিপিই তৈরি করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর এসব পিপিই’র সংকট দেখা দেয়। এই অবস্থায় দেশেই উৎপাদন শুরু হয়েছে ৪ লাখ পিস পিপিই। নমুনা হিসেবে ইতিমধ্যে কয়েকটি পিপিই বিভিন্ন জায়গায় দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব পিপিই ডাক্তার এবং নার্সদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে জরুরি এই পিপিই তৈরির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছেÑ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, বুয়েট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, রোটারি ক্লাব ঢাকা নর্থ ওয়েস্ট। পিপিই’র ডিজাইন করেছে ব্র্যান্ড মার্কস অ্যান্ড স্পেনসারের (এমঅ্যান্ডএস)। এই ব্র্যান্ডের কাছে পোশাক রপ্তানি করে এরকম কয়েকটি কারখানায় সীমিত আকারে এখন উৎপাদন চলছে। বায়ু এবং পানিরোধী বিশেষ ধরনের এই পোশাকটি সাধারণ কাপড়ে উৎপাদন করা যায় না। বিশেষ ধরনের এই পোশাক বিশেষায়িত নন-ওভেন কাপড়ে উৎপাদন হয়। বাংলাদেশে এ ধরনের ওভেন কাপড় তৈরি হয় না। তবে জরুরি প্রয়োজনে কয়েকটি কারখানা এই কাপড় তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এতে সহায়তা দিচ্ছে বিজিএমইএ। জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, মার্ক অ্যান্ড স্পেনসারের নমুনা করা পিপিই তারা দেখেছেন। এই পোশাকটি উৎপাদনে বিশেষ ধরনের পানিরোধী কাপড়ের প্রয়োজন হয়। দেশে ব্যাপক হারে এটি উৎপাদন হয় না। তবে কিছুু কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা আছে। এ বিষয়ে এখন কাজ করছেন তারা।