কক্সবাজারে দ্বিতীয় দিনে সেনা টহল জোরদার

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কক্সবাজারে দ্বিতীয় দিনের মতো সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করেছে। এ কারণে পুরো শহর ফাঁকা হয়ে গেছে। কোথাও কোন ধরনের যানচলাচল করতে দেখা যায়নি। স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রামু সেনানিবাসের মেজর আরিফ এবং জেলা প্রশাসনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তফা জাবেদ কায়সারের যৌথ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একাধিক গাড়ি শহরের প্রধান সড়কসহ প্রতিটি এলাকাতে টহল দেয়।

এ সময় সেনা সদস্যরা মাইকিং করে, লিফলেট বিতরণ এবং বাইরে অবস্থানরত লোকদের ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য তাগিদ দেন। এ ছাড়া রাস্তাঘাটসহ যে কোনো জায়গায় বেশি লোকজন যেন সমবেত হতে না পারে, সবাই যেন নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে এবং যথাযথভাবে সরকারি নির্দেশনাসমূহ মেনে চলে সেনাবাহিনী এই বিষয়গুলো নিশ্চিতের কাজে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করছে। সীমিত করা হয়েছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সাধারণ মানুষের  চলাচল।

সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর থেকেই সাধারণ মানুষের বাইরে আসার প্রবণতা কমে এসেছে। রাস্তাঘাটে খুব কমসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। অনেক এলাকা প্রায় জনমানবশূন্য। জেলার রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশের মতো কক্সবাজারেও নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা আমাদের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস সম্পর্কে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ নানা সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে যে যার অবস্থান থেকে সাধারণ মানুষকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং নিরাপদ রাখতে হবে।’