করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ টাকার প্রস্তাব ডিসিসিআইয়ের

মূল্যস্ফীতি ও ক্রমবর্ধমান জীবনযাপনের ব্যয় বিবেচনায় রেখে ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখ থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। গত ২৫ মার্চ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনে সংগঠনের সভাপতি শামস মাহমুদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (করনীতি) মো. আলমগীর হোসেনের কাছে এমন প্রস্তাব দেন।

ডিসিসিআই সভাপতি ব্যক্তিশ্রেণি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর সর্বনিম্ন হার ১০ থেকে ৫ শতাংশে হ্রাস করার প্রস্তাব করেন। এছাড়া সংগঠনটি প্রগেসিভ হারে সব স্তর থেকে করপোরেট করহার আগামী ২০২০-২১, ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে ৫, ৭ ও ১০ শতাংশ হারে হ্রাস এবং আগামী বাজেটে করপোরেট লভ্যাংশ আয়ের ওপর ২০ শতাংশের পরিবর্তে ১০ শতাংশ কর নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে।

শামস মাহমুদ কর প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও করের আওতা বৃদ্ধির জন্য সম্পূর্ণ অটোমেটেড অনলাইন ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে এ বছরের বাজেট প্রণয়নের আহ্বান জানান, যাতে করে সরকার, সাধারণ জনগণ এবং বেসরকারি খাত এ অবস্থা উত্তরণে সহায়ক নীতিমালা ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার সুফল পেতে পারে।

ডিসিসিআই ১৫ শতাংশ অথবা যেকোনো হারে ভ্যাট প্রদানের পর কর রেয়াতের সুযোগ প্রদানের প্রস্তাব করেছে। এছাড়াও সংগঠনটি এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য বার্ষিক টার্নওভারের লিমিট ৩ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ কোটি টাকা নির্ধারণ এবং পণ্যের ভ্যালু এডিশন বা মুনাফা অনুপাতে ৪ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করে।