জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও হাঁচি-কাশি নিয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে মারা যাওয়া যুবকের শরীরে করোনাভাইরাস ছিল না বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর সিভিল সার্জন ডা. এস.এম. আব্দুল্লাহ আল মুরাদ।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য জানান তিনি।
সিভিল সার্জন বলেন, ৩১ মার্চ শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় মারা যাওয়া ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার মহাখালীতে আইইডিসিআর এ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। আজ শুক্রবার সকালে আমরা তার পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাই। তার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন না।
জানা যায়, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও কাশি থাকায় ওই যুবককে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ১৯ মার্চ কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। পরীক্ষায় তার যক্ষ্মা ধরা পড়ায় তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসা শেষে ২৩ মার্চ তিনি সদর হাসপাতাল থেকে বাড়িতে চলে যান।
নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মৃত ব্যক্তি রফিকুল ইমলাম (৩৪) নড়িয়া উপজেলার ব্যাপারীকান্দি গ্রামের মৃত হামেদ মাদবরের ছেলে।
বুধবার ওই যুবকের মরদেহ প্রথমে নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ মাদরাসা কবরস্থানে দাফন করার জন্য নিয়ে গেলে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ সেখানে দাফন না করার জন্য অনুরোধ জানান। পরে আমরা একই উপজেলার চন্ডিপুর সরকারি গণকবরস্থানে মরদেহটি দাফন করি।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়ন্তী রুপা রায় জানান, ওই যুবকের আশপাশের ৫টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছিল। এ ছাড়া তার সংস্পর্শে আসা ২৩ ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। আজ ওই মৃত ব্যক্তির আইইডিসিআর পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসায় ওই ৫টি বাড়ি লকডাউন উঠিয়ে ও ২৩ ব্্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইন থেকে অবমুক্ত করা হয়েছে।