করোনা শরীরে ঢোকার পর কী হয়, কীভাবে চিকিৎসা হয়!

যেকোনো ভাইরাস, করোনাই শুধু নয়, কোনো জীবিত প্রাণীর শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ বেঁচে থাকতে এবং বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। করোনাভাইরাস মানুষের ফুসফুসে গিয়ে বাসা বাঁধে ও খুব দ্রুত সংখ্যায় বাড়ে। আমাদের ফুসফুস ছোট ছোট বলের মতো আকৃতির বস্তু দিয়ে (অ্যালভিওলাই) তৈরি যেগুলো শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে বেলুনের মতো ফুলে ওঠে ও চুপসে যায়।

ফুসফুসের এই ছোট্ট বলগুলো আমাদের শরীরের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করে। প্রতিবার নিঃশ্বাসের সঙ্গে অক্সিজেনে পূর্ণ হয় এবং বলগুলোর পাতলা পর্দা ভেদ করে সেই অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে। আর রক্তে তৈরি হওয়া বিষাক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড একই পদ্ধতিতে বাইরে আসে। শরীরের প্রতিটি কোষ এই অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে।

ভাইরাসটি যদি আপনার শরীরে ঢোকে, তবে প্রথমে শ্বাসনালী ও পরে ফুসফুসে লটকে পড়বে। ভাইরাসটি ফুসফুসের ছোট ছোট বলের মতো জায়গায় গিয়ে আরামসে বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এতে ফুসফুসের বলগুলো নষ্ট হয়ে যেতে থাকে।

ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর গড়ে ৫ দিন পর্যন্ত সময় নেয় ও তারপর ব্যক্তির উপসর্গ- অর্থাৎ, ক্লান্তি, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া ইত্যাদির লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।

অপরপক্ষে শরীর (ইমিউন সিস্টেম) এই ভাইরাসের হাত থেকে নিজেকে মুক্ত করতে প্রাণপনে চেষ্টা করে। আমাদের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম ক্রমাগত প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি বা যোদ্ধা সেল তৈরি করতে থাকে ভাইরাসকে পরাস্ত করতে।

ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির গতি অপেক্ষা আপনার ইমিউন সেলের বংশবৃদ্ধির গতি বেশি হলে আপনি বেঁচে গেলেন। আর দুর্বল ইমিউন সিস্টেম হলে ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি বেড়ে যাবে ও আপনার ফুসফুস ক্রমান্বয়ে পরাস্ত হতে থাকবে ভাইরাসের হাতে।

ফুসফুস পরাস্ত হতে থাকলে আস্তে আস্তে শরীরে প্রয়োজনীয় অস্কিজেনের অভাব দেখা দেয় এবং রোগী অস্কিজেনের জন্য একসময় হাঁসফাঁস করতে থাকে। পরবর্তীতে শরীরের অন্যান্য অর্গানগুলো (কিডনি, হার্ট, যকৃত, প্যানক্রিয়াস ইত্যাদি) অক্সিজেনের অভাবে একে একে অকেজো হতে শুরু করে।

নানা অসুখের কারণে আগেভাগেই কারো অর্গানগুলো দুর্বল হয়ে থাকলে, তার জন্য ভাইরাসটির আক্রমণের চাপ বহন করা কঠিন হয়ে পরে। তখন ভাইরাসটি রক্তে ছড়িয়ে পরে। এইবেলা তার জন্য হাসপাতালের সাহায্য বা কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন এর বন্দোবস্ত করার জরুরি দরকার হয়ে পরে।

এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি দমন করার কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। তাই নিজের ইমিউন সিস্টেমই ভরসা! সেটি শক্তিশালী হলে ভাইরাসগুলো যুদ্ধে হেরে গিয়ে মারা যাবে। জ্বর-কাশি কিছুদিন পর আপনা আপনি ভালো হয়ে যাবে, বাসায় বসেই। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে ৮০% আক্রান্ত মানুষ ঘরে বসেই ভালো হয়ে যায়, হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হয় না।

করোনা-আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে গেলে কি চিকিৎসা দেয়া হয়: চিকিৎসাসেবার একটা ভাগ হচ্ছে, ওষুধ/সার্জারি দিয়ে ‍সুস্থ করে তোলা (কিউরেটিভ)। আর আরেকটা ভাগ হচ্ছে, রোগীকে নানাভাবে সাপোর্ট দেয়া যাতে রোগীর শরীর নিজেই নিজেকে ভালো করে তুলতে পারে (সাপোর্টিভ)।

করোনা রোগের এখন পর্যন্ত কোনো কিউরেটিভ চিকিৎসা নাই, তাকে ওষুধ দিয়ে সুস্থ করার কিছু নাই।

তাকে হাসপাতালে নেবার পর দেয়া হয় সাপোর্টিভ চিকিৎসা, যেটা শুরুতে এবং বেশিরভাগ সময়ই ঘরেই দেওয়া সম্ভব। হাসপাতাল মূলত তার অন্য অসুখগুলো (কো-মরবিডিটি) ম্যানেজ করে। তার শরীরের জন্য যখন যেটা দরকার, সেটাই তার জন্য করে। যথাযোগ্য পুষ্টি ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করে, যাতে শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালি হয় ও নিজেই যুদ্ধ করতে পারে করোনার বিরুদ্ধে।

হাসপাতাল নিয়মিত ব্লাডপ্রেসার, ডায়াবেটিস/ অক্সিজেন চেক, ইনফেকশন কন্ট্রোল, কিডনির/ ক্যান্সার/ হার্টের চিকিৎসা, মুখে খেতে না পারলে অন্য উপায়ে শরীরে খাবার দেওয়া, রক্তের নানা উপাদানের ব্যালান্স বজায় রাখা ইত্যাদি করতে থাকে। জ্বর/ বমি/ কাশির ওষুধ, ডায়রিয়ার ওষুধ দেয়। সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি, খাবার, আইসোলেশন ইত্যাদি তো আছেই।

আর জরুরি অবস্থায় অর্থাৎ প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে করোনা-রোগী হাসপাতালে যাওয়ামাত্র তাকে আলাদা কক্ষে সিকিউরড করা, মাস্ক দেয়া ও কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের (আর্টিফিশিয়াল ভেন্টিলেশন) ব্যবস্থা করা হয়। রোগী যেন আরো একটি দিন বেশি টিকে থাকে ও তার শরীর করোনাকে পরাস্ত করার দরকারি এন্টিবডি বানাতে সক্ষম হয়! অক্সিজেন দেয়াটা আরো গুরুত্বপূর্ণ এই জন্যে যে, পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পেলে আগে থেকে দুর্বল হয়ে থাকা রোগীর কিডনি, হার্ট, চোখ, ব্রেইন ইত্যাদি নষ্ট হয়ে যেতে থাকে ও রোগী মারা যায়। এ জন্যেই বলা হয়, করোনা বয়স্কদের জন্য বেশি রিস্কি!

এখন হাসপাতালের আইসিইউতে ভেন্টিলেশনের যে মেশিনটি থাকে, সেটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল একটি মেশিন। সাধারন অবস্থায়, খুব কম রোগীকেই সেখানে নিতে হয় বলে, এই মেশিন বেশি সংখ্যায় পৃথিবীর কোনো হাসপাতালেই থাকে না। থাকার দরকারও হয় না। কিন্তু অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই করোনা যদি কো-মরবিডিটিওয়ালা অনেক মানুষকে একসাথে আক্রমণ করে, তবে তাদের জন্য একসাথে প্রচুর ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা করা অসম্ভব। উন্নত দেশেও সেটা অসম্ভব! তাই মৃত্যুর হার এত বেশি, এমনকি উন্নত দেশেও!

তাই করোনার উপসর্গ আছে, অথবা করোনা-সনাক্তকৃত রোগীকে তার বাসাতেই শুরু থেকে সব ধরনের সাপোর্ট দিয়ে রাখা দরকার যাতে হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে না হয়। যেমন, ডায়াবেটিসের রোগী নিয়মিত তার ব্লাড সুগার মেইনটেইন করবে, প্রেশার/থাইরয়েডের/কিডনির রোগীটি নিয়মিত ওষুধ খাবে, মোদ্দা কথা নিজেকে যতোটা সম্ভব কন্ট্রোলে রাখবে। অন্যান্য অর্গানগুলো সুস্থ থাকলে শরীর খানিকটা সময় পাবে এবং শরীরের এন্টিবডি তখন করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হবে।

তবে অবশই রোগীর অবস্থা অনুযায়ী হাসপাতালে যেতে হবে!

করোনায় এত মৃত্যু কেন: রোগ যদি এতই সাধারণ, তাহলে লাশ কেন এত বেশি? কেন এত আতঙ্ক! কেন পৃথিবীব্যাপী এত বিরাট ঝাঁকুনি ও তোলপাড়!

প্রশ্নটা অনেকেরই মনে। রোগটায় মৃত্যু হবেই এমন নয়, অধিকাংশের বেলায় হাসপাতালও দরকার নেই, খুব খারাপ অবস্থায় ভেন্টিলেশনে নিয়ে গেলে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাও প্রবল। সবার ভেন্টিলেশন লাগেও না। তারপরও কেন অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে! যদি খুব মোটা দাগে বলি, তবে বলতে হয়, চাহিদার তুলনায় কৃত্রিম ভেন্টিলেটরের সংখ্যা কম থাকায় মানুষগুলো মরছে! অনেক দেশেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে, ভেন্টিলেটরের বাইরে কাদেরকে রাখা হবে।

তাহলে করোনাভাইরাসের বিপদ কোথায়? বিপদ একটাই- খুব, খুব, খুবই ছোঁয়াচে এই ভাইরাস। এই ‘ছোঁয়াচে’ শব্দটাই অভিশপ্ত! এতই ছোঁয়াচে যে, অতি দ্রুত, বুঝে ওঠার আগেই, সতর্ক হবার আগেই একাধিক ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পরে রোগটি এবং পরে আরো বেশি হারে ছড়ানোর সুযোগ করে দেয়। নীরবে, চোখের পলক ফেলার আগে ছড়িয়ে পরতে পারে শরীর থেকে শরীরে! রোগীর ন্যূনতম সেবা করার লোকের অভাব পরে যায় খুব দ্রুত! হাসপাতালও জায়গা দিতে পারে না এত রোগীর।

যে রাষ্ট্র যত আগে ভাইরাসের “চেইন অফ ইনফেকশন” ভেঙে ফেলতে পারছে, সেই দেশ তত বেশি মৃতের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে। প্রায় একই সময়ে জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালিতে ভাইরাসটির প্রবেশ ঘটলেও জার্মানির মৃত্যুহার ০.৮%, ফ্রান্স ও স্পেনের ৬-৮% এবং ইতালির ১১%।

তাহলে “চেইন অফ ইনফেকশন” প্রক্রিয়াটা দেখা যাক। ৬টি ধাপ এটার। প্রথমে ভাইরাসটি একজনের শরীরে (রিজারভয়ের) বা কোনো সারফেসে (অরগানিজম) থাকে। সেখান থেকে বের হয় (মুখ, নাক, পোর্টাল অব এক্সিট) অথবা বাহিত হয় (হাত- ট্রান্সমিশন)। তারপর আবার অন্যজনের ভেতরে ডাইরেক্ট (মুখ-নাক) অথবা ইনডাইরেক্ট বাহিত (হাত, সারফেস, জিনিসপত্র) হয়। দুর্বল ইমিউনওয়ালাকে অসুস্থ করে। এই প্রক্রিয়া একটি গোলাকার চেইনের মতো। এই চেইনের ৬টি ধাপের যে কোনো একটি অংশে বাধা দিলেই ভাইরাসটি আর ছড়াতে পারে না।

এবার জার্মানির দিকে তাকাই। কেন ইতালি/ ইউএস-এ বেশি মৃত্যু হল জার্মানির তুলনায়? জার্মানি ইতালি, ফ্রান্স, আমেরিকা, এমনকি কানাডার চাইতেও বেশি সংখ্যক টেস্ট করে অনেক কম সময়ে জেনে ফেলেছে কে কে আক্রান্ত এবং তারা কোন স্টেজে আছে। জার্মানি এমনকি হাল্কা উপসর্গ যাদের আছে, তাদের টেস্টও করে ফেলছে। অর্থাৎ ভেন্টিলেশনে রাখার চাহিদাটাকেই তারা বাগে আনতে সক্ষম হয়েছে বেশি সংখ্যক মানুষকে ‘টেস্ট’ এর আওতায় এনে! গত ৩ সপ্তাহে তারা প্রায় ১০ লাখ মানুষের টেস্ট রেজাল্ট বের করে ফেলেছে যা কানাডাও পারেনি।

তারা আক্রান্তদের চটজলদি আলাদা করে ফেলেছে এবং নতুনভাবে আক্রান্ত হওয়া বন্ধ করার দিকে মনোযোগ দিয়েছে। অর্থাৎ “চেইন অব ইনফেকশন” এর চেইন ভেঙে ফেলতে দক্ষতা দেখাচ্ছে। বাদবাকি বেশি আক্রান্তদের হাসপাতাল-সুবিধা বেশি দিতে পারছে ও মৃত্যুহার কম রাখা সম্ভব হয়েছে। কারণ, কোনো দেশেরই আইসিইউতে এত বেশি জীবন-বাঁচানো ভেন্টিলেটর-ব্যবস্থা নাই।

কাজেই, বলা চলে, পর্যাপ্ত ভেন্টিলেটরের অভাবেই মানুষগুলো মারা যাচ্ছে!

আসুন, আমরাও চেইন অফ ইনফেকশনের অন্তত একটি ধাপে হলেও বাধা দেই ও করোনা প্রতিরোধ করি!

করোনা প্রতিরোধে মুখে মাস্ক পরাটা সবার জন্য কি জরুরি!: মাস্ক কতোটা ভাইরাস প্রতিরোধ করে, আর কতোটাই-বা ইনফকশন ছড়ায়! মাস্ক পরার নিয়মই বা কি!

অন্টারিওর ডাক্তাররা (অন্টারিও মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন) একজোট হয়ে বলছেন, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে বড় চিকিৎসা হচ্ছে বাসায় থাকা ও পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা। মাস্কের ব্যাপারে পরিস্কার ঘোষণা দিয়েছেন, “মাস্ক শুধু তিনিই পরবেন যাঁর ভেতরে করোনার উপসর্গগুলো বিদ্যমান।”

এ কথা বলার কারণ আছে। প্রথমত, মাস্কগুলো শুধুমাত্র একবার ব্যবহার করার জন্য। দ্বিতীয়বার ব্যবহার করতে গেলে, মাস্কে থাকা জীবাণুই আবার নাড়াচাড়া করার বন্দোবস্ত করা হয়! কেউ কেউ মাস্ক ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে পুনরায় ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু তা ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হু) সাপোর্ট করে না। কারণ, এর কোনো প্রমাণিত সত্যতা নেই। হু বরং বলছে, প্রয়োজন ছাড়া মাস্ক বরং বিপদ ডেকে আনতে পারে। মাস্ক পরার ফলে অনেকে ভাবতে পারেন, আমি ভাইরাস সংক্রমণ থেকে মুক্ত আছি, ফলে অন্য সাবধানতাগুলো তিনি উপেক্ষা করতে পারেন। যা পরবর্তীতে ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়।

দ্বিতীয়ত, মাস্কগুলো বানানো হয় বিশেষ ধরনের উপাদান দিয়ে, সাধারণ কাপড় দিয়ে নয়। হরেদরে বানানো মাস্ক কোনো কাজে আসে না। সার্জিক্যাল মাস্কের দুইপাশ দুই ধরনের কাজ করে থাকে। কোন দিকটা বাইরে থাকবে আর কোন দিকটা ভেতরের দিকে থাকবে তা সুনির্দিষ্ট করা থাকে। মূলত কালার-কোডিংও করা থাকে। মাস্ক উল্টো করে পরা হলে সেটা কাজ করবে না। হু’র মতে, মাস্ক পরার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন তা সঠিক উপায়ে পরা হয়। মাস্কের বাইরের বা ভেতরের কাপড়ে কোনোরকম হাতের ছোঁয়া না-লাগে। খোলার সময়ও এমনভাবে খুলতে হবে যাতে মাস্কের কাপড়ে ছোঁয়া না লাগে!

এন-৯৫ মাস্ক (গোলাকার মাস্ক ) দরকার হয় এয়ারবর্ন জীবাণু প্রতিরোধ করতে। তা ছাড়া প্রত্যেকের মুখের মাপ অনুযায়ী সাইজ আলাদা আলাদা থাকে। সাধারণত, একজন ডাক্তার/ নার্স প্রতি দুইবছর অন্তর এই মাস্কের সাইজ বিশেষ উপায়ে টেস্ট করার পর নিজেদের সাইজটি সম্পর্কে অবগত থাকেন এবং দরকার অনুযায়ী সেই নির্দিষ্ট সাইজ ব্যবহার করেন।

সেরীন ফেরদৌস: সম্পাদক নতুনদেশ ডটকম।