মোংলায় ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রিতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

মোংলায় সরকার খোলাবাজারে বিক্রি কর্মসূচির (ওএমএস) ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রিতে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব।

নারী-পুরুষ উভয়কে দেখা গেছে গাঁ ঘেষে দাঁড়াতে। লম্বা সারিতে এবং জটলা বেঁধে দাঁড়িয়ে চাল সংগ্রহ করছেন সকলে। এ সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার তদারকিতেও কাউকে দেখা যায়নি।

নিয়ম না মেনে যে যার মতো করে চাল নিয়ে যাচ্ছেন, নিয়ম মানছেন না ডিলারও। যদিও সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সংশিøষ্ট ডিলারকে ৩ ফুট অন্তর গোল বৃত্ত দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানছেন না ডিলাররা।

এছাড়া বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ চাল বিক্রির কথা থাকলেও বিক্রি শুরু হয় সোয়া ১১টার দিকে। ফলে চাল কিনতে আসা দরিদ্র নারী-পুরুষকে তপ্ত রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

পৌর শহরের কলেজ রোডের ডিলার দুলাল তালুকদারের চাল বিক্রির সময় দেখা যায়, ডিলার তার নিজের দোকানঘরে বসে টাকা নিচ্ছেন, আর চাল বিক্রি করছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি যেন তার কাছে কোনো বিষয়ই নয়।

চাল বিক্রির ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব না মানার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান বলেন, এটি দেখার দায়িত্ব ওসি এলএসডির, তারপরও বিষয়টি আমি দেখছি।

এ সময় তিনি বলেন, এখন তো চাল বিক্রির কথা নয়, এখন তালিকা হচ্ছে মাত্র, এরপর চাল বিক্রি শুরু হওয়ার কথা।

ওসি এলএসডি (মোংলা খাদ্যগুদাম ইনচার্জ) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কলেজ রোডের ডিলার দুলাল তালুকদারের দোকানে চাল বিক্রির উদ্বোধন করে দিয়ে আমি চলে এসেছি। তাকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনাও দিয়ে এসেছি। পরে সেখানে কি হয়েছে তা আমি জানি না।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজার না রেখে চাল বিক্রি করলে তার ডিলারশিপ স্থগিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া দেরিতে চাল বিক্রি শুরু করার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথম দিন তো তাই দেরি হয়েছে, এরপর আর এমন হবে না।