দেশে করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর তালিকা করে ত্রাণ বিতরণ এবং এ কাজে অনিয়ম-দুর্নীতি ঠেকাতে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ত্রাণ কার্যক্রম চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। গতকাল শনিবার ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিসটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খান। পরিকল্পনা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, ত্রাণ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালকের কাছে নোটিসটি পাঠানো হয়। নোটিসে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী এই মুহূর্তে আতঙ্ক এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। স্বল্প আয় ও শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার লজ্জায় মুখ ফুটে সাহায্য চাইতে পারছে না। এসব পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য এবং ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় এ ধরনের ব্যক্তিদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদের কাছে খাদ্য ও ওষুধসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব।
নোটিসদাতা ব্যারিস্টার শিহাব খান বলেন, করোনা মোকাবিলায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হলে এই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অন্তত খাদ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের নিশ্চয়তা সরকারকে দিতে হবে। দুর্যোগকালে রাষ্ট্রের কাছে এই সহায়তা পাওয়া তাদের নাগরিক অধিকার। ইতিমধ্যে ত্রাণকাজে বিভিণ্ণ অনিয়ম, নির্বাচিত প্রতিনিধি কর্তৃক চাল চুরি ও মজুদ এবং সমন্বয়হীনতা লক্ষ করা গেছে। একমাত্র সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এই ত্রাণ বিতরণ এবং সরবরাহের কাজ যথাযথভাবে পরিচালনা সম্ভব। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তালিকা প্রস্তুত করে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে খাদ্য ও ওষুধসামগ্রী পৌঁছানোর দাবি জানাচ্ছি।