হোম কোয়ারেন্টাইনে অনেকেই বাচ্চার পড়াশোনা নিয়ে দিশেহারা। স্কুল ছুটি, কোচিং, প্রাইভেট টিউটর সবই বন্ধ। শিশুদের থাকতে হচ্ছে ঘরেই। অন্যদিকে অফিসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে বাবা-মাকে। এসবের মধ্যে বাচ্চার পড়াশোনার খোঁজ রাখা কিছুটা কঠিন। তাই এ সময় কোয়ান্টিটি টাইমের কনসেপ্ট ছেড়ে কোয়ালিটি টাইমের ওপর নজর দিতে পারেন। কীভাবে শিশুর লেখাপড়ার বিষয়টি সামলাবেন, তা নিয়ে রইল কিছু পরামর্শ করণীয় স সময় বের করে প্রতিদিনের একটা শিডিউল বানান। তাতে সন্তানের স্কুলের সিলেবাস অনুযায়ী পড়াশোনা যুক্ত করুন।
কোন বিষয় আগে পড়তে হবে, কোন বিষয়ে বাচ্চা দুর্বল এগুলো নোট করে রাখুন। সুবিধামতো সময় বের করে বাচ্চাকে পড়াতে পারবেন। সপরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বাচ্চার পড়াশোনা দেখভালের দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারেন। যেদিন আপনি পারবেন না, সেদিন অন্যদের বাচ্চাকে পড়াতে বলুন। সপ্তাহের এক দিন অন্য সময়ের মতো বাচ্চাকে ছুটি দিন। সেদিনের পুরোটায় ওর পছন্দমতো কাজ করতে দিন। এর ফলে সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে পড়াশোনায় আগ্রহ পাবে। বাচ্চাকে নিজে থেকে পড়াশোনা করতে আগ্রহী করে তুলুন। যদি নিজে পড়াশোনা করতে পারে, করতে দিন। প্রয়োজনে ছোট কোনো গিফট বা পছন্দের খাবার তৈরি করে দিন। এতে উৎসাহ নিয়ে পড়তে বসবে। সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে। তবে অবশ্যই দিনের একটা সময় তার সঙ্গে আপনিও বসুন লেখাপড়ার খোঁজ নিতে। স যেহেতু শিশু বাড়িতে অনেক দিন ধরে আছে, এ সময়টাতে ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিন। পড়াশোনা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে বলুন। প্রয়োজনে ক্লাসের শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ সময় বাচ্চাকে কী পড়াতে হবে সাজেশন নিয়ে নিন।