খুলনা ফেরার পথে গোপালগঞ্জে পোশাককর্মীকে ধর্ষণ

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়ি খুলনায় ফেরার পথে গোপালগঞ্জ শহরে এক পোশাককর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত সোমবার রাতে শহরের কলাবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে খায়রুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ইজিবাইক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম জানান, ওই পোশাককর্মী গাজীপুর থেকে ভেঙে ভেঙে খুলনায় গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। সোমবার রাত ৭-৮টার দিকে তিনি গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনসের কাছে এসে পৌঁছান। সড়কে কোনো যানবাহন না পেয়ে সেখানেই একাকী বসেছিলেন। এ সময় খায়রুল ইসলাম এসে পরের দিন সকালে তার ইজিবাইকে খুলনায় পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস এবং রাতটুকু তার বাড়িতে মা-বোনের কাছে        

থাকার প্রস্তাব দেন। এতে ওই তরুণী রাজি হয়ে তার সঙ্গে রওনা হন। সুযোগ বুঝে খায়রুল শহরের কলাবাগান এলাকায় ফাঁকা জায়গায় নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যান। পরে রাত ১০টার দিকে স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় ওই পোশাককর্মী পুলিশের কাছে গিয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানান। পরে পুলিশ গভীর রাতে খায়রুলকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় গতকাল থানায় মামলা হয়েছে। খায়রুলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই তরুণীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

রূপগঞ্জে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ইব্রাহিম মিয়া নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গতকাল ওই ছাত্রী থানায় অভিযোগ করেন।

এতে বলা হয়, উপজেলার দক্ষিণ কেরাব এলাকার ইব্রাহিম মিয়ার সঙ্গে দেড় বছর আগে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে তারা বহুবার ঘনিষ্ঠ হন। কিন্তু কিছুদিন ধরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে ইব্রাহিম টালবাহানা শুরু করেন। এক পর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে নানা হুমকিধমকি দিতে থাকেন।

এরই মধ্যে গত রবিবার রাতে ইব্রাহিম ওই ছাত্রীকে বাড়ির পাশে দেখা করতে বলেন। কথামতো সেখানে এলে নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যান ইব্রাহিম।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।