কুষ্টিয়ায় ভিজিডির চাল ও বয়স্কদের ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
অভিযুক্তরা হলেন- ইউপি চেয়ারম্যান ওমর আলী, ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য রাজিয়া খাতুন।
বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুনের আদালত এই আদেশ দেন। বিষয়টি তদন্ত করে ৮ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান, ও মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে স্ব-প্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মিরপুর কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর আলীর বিরুদ্ধে ‘ভিজিডির চাল ও বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাৎ’ শিরোনামে মঙ্গলবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে।
এতে বলা হয়, ফিল্ড সুপারভাইজারের সহযোগিতায় সরকারি নীতিমালা না মেনে এলাকার অনেকের কম বয়স দেখিয়ে বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন চেয়ারম্যান ওমর আলী। প্রতিবেদনে আরও জানা যায়, ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রাজিয়া খাতুন তার স্বামীর নামে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন।
এ ব্যাপারে কথা বলতে অভিযুক্ত কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর আলীর মোবাইলে একাধিকার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, কুর্শা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশটি এখনো হাতে পায়নি। হাতে পেলে নির্দেশিত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, ওমর আলী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে কুর্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তবে ওই ইউনিয়নে দলীয় কমিটি না হওয়ায় ওমর আলীর দলীয় কোন পদ নেই বলে জানান মিরপুর উপজেলা জাসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কারশেদ আলম।