ভারত ও সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ৩৫৩ বাংলাদেশি

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনের মধ্যে ভারতের চেন্নাইয়ে আটকে পড়া আরও ১৬৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের নিয়ে গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। তাদের মধ্যে ৪ শিশুও রয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত এক মাসের বেশি সময় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে চিকিৎসার জন্য আটকে রয়েছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি। গত ১৭ এপ্রিল থেকে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোনোভাবেই বাংলাদেশিরা দেশে ফিরে আসতে পারছিলেন না। এমতাবস্থায় ভারতের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। বিশেষ ফ্লাইটগুলোতে শুধু বাংলাদেশিরাই ভ্রমণ করতে পারবেন। তিনি বলেন, যাত্রীদের কভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকলেও তাদের অবশ্যই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আর যেসব যাত্রীর কভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট নেই তাদের সরকার নির্ধারিত প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশনা রয়েছে।

এদিকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইট ১৮৫ বাংলাদেশি যাত্রী নিয়ে গতকাল দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দুই ঘণ্টা পর একই ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের ৯৮ নাগরিক দেশটির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানায়, ২৪ ও ২৫ এপ্রিল চেন্নাই থেকে ঢাকায় আরও দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা। ফ্লাইটগুলো ১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। চেন্নাই থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে আসবে এবং বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।

৩০১ মার্কিন নাগরিকের ঢাকা ত্যাগ : সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫২ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ৩০১ মার্কিন নাগরিক ঢাকা ত্যাগ করেছেন।