জুয়েলার্স ও স্বর্ণশিল্পীদের প্রণোদনা দাবি

করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত জুয়েলার্স ও স্বর্ণশিল্পীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার দাবি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রণোদনা হিসেবে ব্যবসায়ীদের জন্য স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং নিম্ন আয়ের স্বর্ণশিল্পীদের রেশন সুবিধার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

গতকাল রবিবার বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এসব দাবি জানানো হয়। বাজুস বলছে, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গত ২৫ মার্চ থেকে দেশব্যাপী কার্যত লকডাউন চলছে। কয়েক দফায় সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসাসেবা, খাদ্য সরবরাহকরী প্রতিষ্ঠান ও সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলছে। অন্যান্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুমকিতে হয়েছে; বিশেষ করে জুয়েলারি শিল্প।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠনটির দাবি, সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজার নিবন্ধিত ছোট, বড় ও মাঝারি আকারের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ৮০ হাজার স্বর্ণশিল্পী। তবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৮ লাখ মানুষ এ শিল্পে জড়িত। করোনায় দীর্ঘ বন্ধের কারণে ব্যবসা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও কর্মীদের বেতন, দোকান ভাড়া দিতে হচ্ছে। এ অবস্থায় হিমশিম খেতে হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের। তাই প্রাচীন ও সম্ভাবনাময় এ শিল্প বাঁচাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনার একটি অংশ স্বল্প সুদে দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ চান জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা। যাতে ক্ষতিগ্রস্ত জুয়েলাররা কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, দোকান ভাড়াসহ অন্যান্য সমস্যা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়।

নিম্ন আয়ের স্বর্ণশিল্পীদের রক্ষায় তালিকা করে রেশনকার্ড বিতরণের মাধ্যমে সরকারের রেশন সুবিধার আওতায় আনতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছে বাজুস।