দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে আপনি বলতেই পারেন, হার্শা ভোগলেকে অপমান করে বিসিসিআইয়ের চাকরি খুইয়েছেন সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। বাদ পড়েছেন ধারাভাষ্য প্যানেল থেকে। তবে সেই মাঞ্জরেকারই এবার হার্শাকে ভারতের সেরা ধারাভাষ্যকার হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন।
গেল ক’বছরে বারবার বিতর্কিত খবরের শিরোনাম হয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার ও পরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে নাম লেখানো মাঞ্জরেকার। কখনো ক্রিকেটারদের নিয়ে বা কখনো সহ-ধারাভাষ্যকারদের তাচ্ছিল্য সুরে কথা বলেছেন।
গত নভেম্বরে ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশ-ভারত দিবারাত্রির টেস্টের ধারাভাষ্য চলাকালে হার্শা ভোগলেকে খোঁচা দিয়ে কথা বলেন মাঞ্জরেকার।
গোলাপি বল নিয়ে আলোচনায় হার্শা ভোগলে বলেছিলেন, ‘গোলাপি বল দেখতে সমস্যা হচ্ছে কি না, তা ক্রিকেটারদের জিজ্ঞাসা করে দেখা দরকার।’ যা শুনে মাঞ্জরেকার বলে ওঠেন, ‘আপনাদের এটা জিজ্ঞেস করা উচিত। আমরা যারা একটু-আধটু ক্রিকেট খেলেছি, তাদের জিজ্ঞাসা করার দরকার নেই। এটা তো পরিষ্কার যে বল দেখতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’
সে সময় এ নিয়ে তীব্র সমালোচিত হতে হয়েছিল মাঞ্জরেকারকে। এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালে রবীন্দ্র জাদেজাকে অল্প প্রতিভার ক্রিকেটার বলে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। এত কিছুর পর মাঞ্জরেকারকে আর ধারাভাষ্য প্যানেলে রাখেনি বিসিসিআই।
এখন তাই বেকার সময় মাঞ্জরেকারের। অবশ্য এখন করোনাভাইরাসের কারণে সবাই অলস সময় পার করছে। আর অলস সময় কাটাতে তারকারা বেছে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে।
মাঞ্জরেকারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সময় কাটাচ্ছেন। যেখানে একজন মাঞ্জরেকারকে জিজ্ঞেস করা হয় হার্শা ভোগলের নাম শুনলে তার কী মনে হয়? জবাবে মঞ্জরেকার বলেন, ‘ভারতের সেরা ধারাভাষ্যকার।’