করোনার প্রভাব

কমলগঞ্জে ব্যবসার ধরন বদল করে মাস্ক ও ফল বিক্রি

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শপিং মল, বিপণিবিতান, হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ। ফলে কাঁচাবাজার, মুদিদোকান ব্যতীত অন্য দোকানপাট বন্ধ থাকায় এসব দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা পড়েছেন দুর্ভোগে। সারা দেশের মতো করোনার প্রভাবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জেও এসব ব্যবসায়ী দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বাধ্য হয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে ব্যবসার ধরন বদল করে এখন তারা মাস্ক ও ফল বিক্রি শুরু করেছেন।

গত রবিবার ও গতকাল সোমবার কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায় অনেক কাপড় ব্যবসায়ী, স্টেশনারি দোকানি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক তাদের দোকানের সামনে মাস্ক বিক্রি করছেন। তবে বেশির ভাগ দোকানি আপেল, কলা, আঙুর, কমলা, মাল্টা, খেজুর, তরমুজ ও বেল বিক্রি করছেন। আলাপকালে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কাপড় ও স্টেশনারি পণ্য ব্যবসায়ী বলেন, ব্যবসার আয় দিয়ে তাদের সংসার চলত। তা ছাড়া কয়েকজন কর্মচারীর বেতন-ভাতা দিতেন। টানা এক মাসে তারা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। মাঝে মাঝে তারা সকালে একটি শাটার খুলে কিছু পণ্য বিক্রি করতেন। তবে প্রশাসনের অভিযানে বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে দিতে হতো। আবার অভিযানে অনেক ব্যবসায়ীকে জরিমানাও দিতে হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে এখন ব্যবসার ধরন বদল করে মাস্ক ও ফল বিক্রি করছেন। কমলগঞ্জ পৌর বণিক সমিতির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ চলমান করোনাভাইরাসের প্রভাবে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির সত্যতা নিশ্চিত করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, অনেক ব্যবসায়ী টিকে থাকতে বাধ্য হয়ে মাস্ক ও ফল বিক্রি শুরু করেছেন।