জ্বর , সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিন জেলায় আরও তিনজন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সিলেটে মারা গেছেন এক যুবক, সাতক্ষীরায় এক বৃদ্ধ এবং নেত্রকোনায় এক শিশু। দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর অনুযায়ী, এ নিয়ে ২০ দিনে দেশে জ্বর , সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ১২৫ জনের প্রাণহানি হলো।
সিলেট : নগরীর শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার রাতে ওই যুবক (৩৭) মারা যান। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সুশান্ত কুমার মহাপাত্র জানান, মঙ্গলবার বিকেলে তাকে ভর্তি করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর ওই যুবকের মৃত্যু হয়। তার শরীরে করোনার উপসর্গ ছিল। পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা : সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামে মঙ্গলবার গভীর রাতে মারা যান খায়রুল ইসলাম (৬০)। তিনি মৃত আবদুল গফুর সরদারের ছেলে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী জানান, চার-পাঁচ দিন আগে তিনি চট্টগ্রাম থেকে নিজ বাড়ি চৌবাড়িয়া আসেন। বাড়িতে আসার পর তিনি কাশি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে মারা যান। সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন অফিসের মুখপাত্র ডা. জয়ন্ত সরকার জানান, ওই বৃদ্ধের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
নেত্রকোনা : দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল বুধবার মারা যায় ২০ মাসের শিশু মেহেদী হাসান। সে চন্ডিগড় ইউনিয়নের মাকড়াইল গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে। হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তানজিরুল ইসলাম জানান, তিন দিন ধরে জ্বর -সর্দিতে আক্রান্ত ছিল শিশুটি। গতকাল সকাল ১০টার দিকে তাকে ভর্তি করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। শিশুটি করোনায় আক্রান্ত ছিল কি না সেজন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।