করোনা সংকট মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে অভিমত দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের পাশাপাশি গার্মেন্টস সংগঠনগুলো তাদের কারখানায় কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা সহজ হবে।’
গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘কভিড-১৯ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস : প্রটেকটিং দ্য মোস্ট ভালনারেবল’ শীর্ষক এক ওয়েব সেমিনারে ঢাকা থেকে যুক্ত হন আইনমন্ত্রী। এ সময় বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। আইন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেমিনারের আয়োজন করে জাতিসংঘ গ্লোবাল কম্প্যাক্ট। জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট ও ন্যাটুরা কোম্পানির চেয়ারম্যান রবার্ট মারকুইস সেমিনারে অংশ নেন।
আইনমন্ত্রী বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এই সংকটময় সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত বিভিন্ন খাতে প্রণোদনা প্যাকেজসহ পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
ওয়েব সেমিনারে আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশে করোনাভাইরাসজনিত সংকট মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবিশেষ এগিয়ে এসেছে। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে সারা দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ও সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকারি ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে।
তিনি জানান, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে দেশব্যাপী ৪৯৮টি ট্রাকে করে সাশ্রয়ী দামে ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘গত ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত মানবিক সহায়তা হিসেবে ৭০ লাখ ৬৭ হাজার ৯৩০টি পরিবার তথা ৩ কোটি ৮১ লাখ ৫৮ হাজার ২৬৮ জনের কাছে সরকারের চাল ও নগদ টাকার সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে শিশুদের জন্যও আলাদাভাবে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’