করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান সাধারণ ছুটি আবারও বাড়ছে। আগামী ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হতে পারে। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি শেষ হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল শনিবার জানান, ছুটি আরও বাড়তে পারে। কারণ মে মাসটা আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই এই ছুটিটা আরও কিছুদিন বহাল রাখা দরকার। আমরা ১৫ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। আশা করি প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস- আদালত বন্ধ করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। পাশাপাশি সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে বিশ্বের আরও অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষও ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। এরপর সেই ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। সর্বশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গতকাল পাঠানো প্রস্তাবে ১৫ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। ১৬ মে শনিবার থাকায় সেই দিনটাও ছুটির মধ্যে চলে আসবে। সেই হিসেবে ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি থাকছে।
সরকার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ঘর থেকে বের হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত ১৭ মার্চ থেকেই বন্ধ রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে নির্ধারিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে গেছে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে। ইতিমধ্যে জরুরি সেবা-সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া হয়েছে। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানও সীমিত আকারে চালু করা হয়েছে।