মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের সোনালী ব্যাংক ভানুগাছ শাখার একজন কর্মকর্তা ও এক নিরাপত্তাকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে রবিবার অনির্দিষ্টকালের জন্য শাখাটি লকডাউন করা হয়েছে। ফলে জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখা চাপে পড়েছে। জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখার বাইরে ছিল ভাতাভোগীদের দীর্ঘ লাইন।
সোমবার সকালে দেখা যায়, সকাল ১০টায় ব্যাংক শাখা খোলার কথা থাকলেও জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখার সামনে নারী-পুরুষ গ্রাহকরা তার আগে সকাল ৮টায় এসে বাইরে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। গ্রাহকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিলেও কোনভাবে এ নির্দেশনা মানেননি গ্রাহকরা। সকাল সাড়ে ৯টায় ব্যাংক শাখা খুলে প্রবেশকালে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে গ্রাহকদের হাত ভিজিয়ে প্রবেশ করানো হয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গ্রাহকদের উপস্থিতি আরও বেড়ে যায়।
জনতা ব্যাংক ভানুগাছ শাখার ব্যবস্থাপক তমাল দত্ত সোমবার দুপুরে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভানুগাছ শাখা সোনালী ব্যাংক লকডাউনে থাকায় ভাতাভোগীদের চাপ এ শাখায় বেড়ে গেছে। তাদের একজন কর্মচারী হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকায় মাত্র ৪ জন স্টাফ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। ব্যাংকের ভেতরে সামাজিক দূরত্ব রাখতে পারলেও ব্যাংকের বাইরে কোনভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যায়নি। গ্রাহকদের চাপ সামাল দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ ব্যাংকের সামনে দুইজন পুলিশ সদস্য মোতাযেন করা হয়।