লকডাউনে বাড়ি থেকে বেরোনো যাবে না, তাই বলে কি ফুচকা খাওয়া যাবে না! পাড়ার মোড়ে বা কলেজের গেটে ফুচকা বিক্রেতারা নেই, তাই ঘরে বসেই ফুচকা তৈরির উদ্যোগ।
কিন্তু উদ্যোগ নিলেই তো হবে না, প্রথমে জানতে হবে এই জিভে পানি আনা খাবারটি কিভাবে বানাতে হয়। রাস্তার পাশের ফুচকাওয়ালার কাছ থেকে কিনে খেতে অভ্যস্ত বলে জিনিসটি কি করে বানাতে হয় তা অনেকেরই অজানা। আর অজানাকে জানতে প্রথমেই আমরা যেখানে যাই, সেটা হলো- গুগল।
গুগল ইন্ডিয়ার হিসেবে দেখা গিয়েছে লকডাউনের মধ্যে ফুচকার রেসিপির খোঁজ বেড়েছে ১০৭ শতাংশ। তবে স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রেখেছে ঘর বন্দি মানুষ। তাই ফুচকার মতো স্ন্যাক্সের সঙ্গে আয়ুর্বেদিক হোম রেমিডি 'কড়া' তৈরির প্রণালির খোঁজও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দেশবাসীকে 'কড়া' পান করতে অনুরোধ করার পরেই ৯০ শতাংশ বেড়েছে 'কড়া'র রেসিপির খোঁজ।
এছাড়া অনলাইনে বিদ্যুতের বিল কী ভাবে মেটানো হয়, তার খোঁজও এই লকডাউনের মধ্যে ১৮০ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া কাছাকাছি ওষুধের দোকান জানতে চেয়েও গুগল সার্চ করেছেন অনেকে। মুদিখানার সামগ্রীর হোম ডেলিভারির খোঁজ বেড়েছে ৫৫০ শতাংশ।