ফ্রান্সে গত বছরের ডিসেম্বরে নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক ব্যক্তির নমুনায় নতুন করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে তার চিকিৎসকের দাবির পরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা-সমালোচনা।কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, ফ্রান্সে ২৪ জানুয়ারি প্রথম তিনজনের দেহে কভিড-১৯ পাওয়া যায়। এতদিন ধরে এটিই ছিল ইউরোপে প্রথম কভিড- ১৯ রোগীর সন্ধান লাভের ঘটনা।
তবে অ্যাভিসিন অ্যান্ড জঁ-ভের্দিয়ে হাসপাতালের জরুরি ওষুধ বিভাগের প্রধান ড. ইভ কোহেন ফরাসি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ওই তিনজনের অনেক আগেই ২৭ ডিসেম্বর একজন শুকনো কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। সে সময়ই তার শ্লেষ্মা রেখে দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি ওই শ্লেষ্মা পরীক্ষা করে সেখানে নতুন করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
এদিকে ফ্রান্সের এই ঘটনার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, বিশ্বের আরও অনেক দেশে করোনাভাইরাস অনেক আগেই হানা দিয়েছে খোঁজ করলে এমন প্রমাণ পাওয়া যাবে।
সংস্থাটির মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডমায়ার গতকাল বলেছেন, এই খবরে তিনি মোটেও অবাক হচ্ছেন না। মহামারীর পরিষ্কার চিত্রটি বোঝার জন্য তিনি দেশগুলোকে ২০১৯ সালের শেষ দিকের মেডিকেল তথ্য নতুন করে বিশ্লেষণ করে দেখার আহ্বান জানান।
এদিকে বিবিসির এক খবর অনুসারে কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের দেশে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের আবির্ভাবের সময় পর্যালোচনা করার কথা ঘোষণা দেয়। দেশটিতে করোনায় প্রথম মৃত্যু এতদিনের ধারণার চেয়েও অন্তত এক মাস আগে হয়েছিল বলে ক্যালিফোর্নিয়ায় হওয়া একটি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ধারণা পাওয়া গেছে।