অনলাইন চ্যাট ফাঁস: বিপাকে পড়েছিলেন এই ক্রিকেটাররা

মাঠের বাইরের বিতর্কিত কাণ্ডে খবরের শিরোনাম হয়েছেন, এমন ক্রিকেটারের সংখ্যা অনেক। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের অন্যতম অনুসঙ্গ। করোনাভাইরাসের এই দুর্যোগময় সময়ে তো সময় কাটানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ক্রীড়া তারকারা।

তবে অতীতে এই মাধ্যমেও বিতর্কিত ঘটনা তৈরি করেছেন বা কেউ কেউ শিকার হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটের এমন তিনটি আলোচিত ঘটনা নিয়েই এই প্রতিবেদন-

মোহাম্মদ শামি (ভারত)

ভারতীয় দলের পেসার মোহাম্মদ শামির ওপর তার স্ত্রী হাসিন জাহান অন্য মেয়েদের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ার গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন। একই সঙ্গে শামির উপর শারীরিক নির্যাতন ও খুনের মতো গুরুতর অভিযোগও করেছিলেন তিনি। থানা-পুলিশ হয়ে ঘটনা আদালতেও গড়ায়।

পুলিশ ও মিডিয়াকে নিজের কথা প্রমাণ করার জন্য হাসিন জাহান অন্য মহিলার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শামির ‘কথিত’ কথাবার্তার বেশ কিছু স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছিলেন।

শাহিন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)

পাকিস্তানি তরুণ পেসার গত বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন। তার বিরুদ্ধেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন নারী গুরুতর অভিযোগ আনেন। অজ্ঞাত ইউজার থেকে শাহিনের ব্যক্তিগত চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়।

ফারিহা নামের একটি মেয়ে নিজের টুইটে লিখেছিলেন, ‘শাহিন আফ্রিদি পরবর্তী বড় মাছ। ও সবসময়ই মাঠে দুর্দান্ত প্রদর্শন করতে কেনো ব্যর্থ থেকেছে? ও সবসময় মেয়েদের সঙ্গে ফ্লার্ট করতে ব্যস্ত থাকে। নিজের স্ট্যাটাস আর শক্তির ব্যবহার মেয়েদের আকর্ষণ করার জন্য করেন, আর তারপর তাদের শরীরের সঙ্গে খেলেন।’ এও লিখেন, ‘আরো বেশি জিনিস দ্রুতই আপলোড করা হবে।’

তবে এমন কিছু লেখার ঘণ্টা খানেক পরই ওই টুইটার আইডিকে ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়।

ইমাম-উল-হক (পাকিস্তান)

পাকিস্তান দলের তরুণ তারকা ইমাম-উল-হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে একাধিক নারীর সঙ্গে ভার্চুয়াল চ্যাটিংয়ের। যার স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়। এক টুইটার ইউজারের অভিযোগের এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তা স্বীকার করে নেন ইমাম উল হক। দোষ স্বীকার করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি। এই কাজ আর করবেন না বলেও প্রতিশ্রুতি ইমাম।