করোনার ভয় উপক্ষো করে শপিংমল ও দোকান খুলে দেওয়ার প্রথম দিনেই ভিড় দেখা গেছে। দুই মাস পর সরকার দেশের শপিংমল ও দোকান সীমিত আকারে খোলার সুযোগ দেয়। তবে শর্ত ছিল সামাজিক দূরত্বসহ অনান্য স্বাস্যবিধি মেনে চলার। কিন্তু সেগুলোর কিছুই দেখা যায়নি কেনাকাটার প্রথম দিনেই।
এর আগে মার্চের মাঝামাঝি থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার নিত্যপ্রয়োজনী পণ্য ও ওষুধের দোকান ছাড়া অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছিল। দুই মাস পর এসব প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলেও শর্ত ছিল ক্রেতা বা বিক্রেতারা হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক কিংবা দূরত্ব বজায় রাখবেন। তবে এর কোনোটিই অনেককে মানতে দেখা যায়নি।
এ ছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকেও দেখা গেছে মানুষের ঢল। ঝিনাইদহ শহরে রোববার দেখা গেছে স্বাভাবিক সময়ের মতো মানুষের কোলাহল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে তাদের সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন বলে দেখা গেছে।
ঝিনাইদহ শহর দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মন্টু মিয়া জানান, আজকে দোকান খুলে দেওয়ার পথম দিন ছিল। অনেক দিন পর খোলার কারণে এবং সময় কম থাকায় ভিড় হয়েছে। তবে আমি মনে করি, আরো বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আগে, আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতি যেন না হয় সে জন্য এখনই দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এতে হয়ত আমাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি হবে, কিন্তু জনস্বাস্থ্যের দিকটিই আগে বিবেচনা করা উচিত বলে আমি মনে করি।
সদর থানার ওসি (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, আজকে সরকারি নির্দেশে দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা বড় বড় পোস্টার টানিয়েছি, সবার হাতে হাতে লিফলেট দিচ্ছি যেন সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা হয়। পুরো শহরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে আমরা সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছি।