দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রোগী এখন রাশিয়ায়

যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশিসংখ্যক করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী এখন রাশিয়ায়। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ৮৯৯ নতুন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে দেশটিতে। সব মিলিয়ে রাশিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা এখন ২ লাখ ৩২ হাজার। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা রাজধানী মস্কোতে। আগের ২৪ ঘণ্টায় সেখানে পাঁচ হাজারেরও বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য বলছে, রাশিয়া রোগী শনাক্তের সংখ্যায় ইউরোপে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। প্রথম অবস্থানে স্পেন। সেখানে বর্তমান রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫২০ জন।

গতকাল মঙ্গলবার রাতের ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, বিশ^জুড়ে মোট আক্রান্ত ৪৩ লাখ ১১ হাজার ৯১৪। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৭ জনের। গতকাল পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৩৮ জন। চিকিৎসাধীন ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৬ জন। এদের মধ্যে ৪৬ হাজার ৫৪৮ জনের অবস্থা গুরুতর।

এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৭ জন আক্রান্ত নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি মৃত্যুর তালিকায়ও শীর্ষে। সেখানে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৫৫৫ জনে। আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্পেনে এখন করোনা রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৬৯ হাজার ৫২০ জন। মারা গেছে ২৬ হাজার ৯২০ জন। তবে মত্যৃুর সংখ্যায় ইতালি আছে স্পেনের আগে। দেশটিতে মারা গেছে ৩০ হাজার ৭৩৯ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮১৭ জনে। যক্তুরাজ্যে মত্যৃুর সংখ্যা ৩২ হাজার ৬৯২, আক্রান্ত ২ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৩ জন। ফ্রান্সে মারা গেছে ২৬ হাজার ৬৪৩ জন। আক্রান্ত ১ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৩ জন। জার্মানিতে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৭২ হাজার ৮১২ জন। দেশটিতে গতকাল পর্যন্তÍ মারা গেছে ৭ হাজার ৬৬৭ জন। নেদারল্যান্ডসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ হাজার ৯৮৪ আর মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৫১০ জনের। বেলজিয়ামেও রোগীর সংখ্যা ৫৩ হাজার ৭৭৯ জন। মারা গেছে ৮ হাজার ৭৬১ জন। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ৩০ হাজার ৩৬০, মত্যৃু হয়েছে ১ হাজার ৮৮৭ জনের। তরুস্কে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭১ জন আক্রান্ত। ৩ হাজার ৮৪১ জন মারা গেছে। সুইডেনে ২৭ হাজার ২৭২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছে ৩ হাজার ৩১৩ জন। রাশিয়ায় ২ লাখ ৩২ হাজার ২৪৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে মারা গেছে ২ হাজার ১১৬ জন। কানাডায় রোগীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৯৮১। মারা গেছে ৪ হাজার ৯৯৩ জন। ব্রাজিলে ১ লাখ ৭০ হাজার ২১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। মত্যৃুর সংখ্যা ১১ হাজার ৭০১ জন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১০ হাজার ৭৬১ আর মৃত্যৃু হয়েছে ৬ হাজার ৭৩৩ জনের। ভাইরাসটির উৎসস্থল চীনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮২ হাজার ৯৮১ এবং মত্যৃুর সংখ্যা ৪ হাজার ৬৩৩ জন। এছাড়া অনেক দেশেই রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে আর মারা গেছে হাজারেরও বেশি।