অ্যা্ম্বুলেন্স থামিয়ে আবারও হামলা চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করল প্রতিপক্ষ

আধিপত্য বিস্তার ও জায়গা জমির চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত ব্যক্তির অ্যাম্ব্যুলেন্স থামিয়ে পুনরায় হামলা চালিয়ে জহিরুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাধনপুর এলাকার প্রধান সড়কের ওপর।

নিহত জহিরুল ইসলাম এলাকার মৃত আলী মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ট্রাক চালক।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে সাধনপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড়ের দক্ষিণ সাধনপুর আশরাফ আলীর বাড়ি এলাকায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোমবার রাতে দিদারুল আলম ঝুন্টু (৪৫) ও তার ছেলে তানজিব হোসেনের (১৯) উপর হামলা করে প্রতিপক্ষের লোকজন।

এ ঘটনায় আহত তানজিবকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম  হাসপাতালে পাঠিয়ে দিদারুল আলম ও তার ছেলে রবিউল আউয়ালকে নিয়ে বাঁশখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে আসার খবর পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন রাতে আবারো হামলা চালায়।

এতে বাড়িতে থাকা লোকজনকে হামলা করে, বাড়ির মালামাল ও টাকাপয়সা লুটপাট করে করে বলে অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার সকালে পুনরায় দলবদ্ধ হয়ে হামলা করে। হামলায় জহিরুল ইসলাম (৩৫), জামাল (৫০), রবিউল (২০), তানজির (১৯) সাজ্জাদ (১৭) ইশরাতুল জন্নাত (১৫) কাউচার জাহান (১৬) আহত হয়।

তাদের মধ্যে গুরুতর আহত জহিরুল ইসলামকে উদ্ধার করে কালীপুর ইউপির গুনাগুরীস্থ মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রামে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রওনা হয়ে গুনাগুরী ভ্সাাইন্যার দোকান নামক স্থানে স্থানীয় বিএনপির নেতা আবদুল হকের বাড়ির সামনে পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সের গতিরোধ করে সেখানে আবারো স্থানীয় নেজাম উদ্দিন, মনির আহমদ, ইয়াছিন, ইলিয়াস ও আবদুল হকের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে জহিরুল ইসলামের মৃত্যু নিশ্চিত করে বলে জানান তার ভাইপো রবিউল আউয়াল।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা না হলেও ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অভ্যাহত আছে বলে জানান বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার।

তিনি জানান, নিহত জহিরুল ইসলামের লাশ দাফন করা হয়েছে।