করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি পণ্যের কন্টেইনারে শতভাগ স্টোর রেন্ট মওকুফের সময়সীমা আগামী রবিবার শেষ হচ্ছে। আগামী সোমবার থেকে আমদানিকারকদের ডেলিভারি নিতে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া দিতে হবে। এ পরিস্থিতিতে যতদিন সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে ততদিন স্টোর রেন্ট মওকুফ চায় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বিজিএমইএর পক্ষ থেকে গতকাল চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান বরাবরে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, করোনা সংক্রমণ রোধে সাধারণ ছুটির কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত তিন দফায় স্টোর রেন্ট মওকুফের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। প্রথম দফায় ২০ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় ৪ মে ও তৃতীয় দফায় ১৬ মে পর্যন্ত শতভাগ স্টোর রেন্ট মওকুফের ঘোষণা দেওয়া হয়।
তৃতীয় দফায় স্টোর রেন্ট মওকুফের সময় শেষ হওয়ার দুই দিন আগে সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। চিঠিতে তিনি বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পখাত সংকটকাল অতিক্রম করছে। দেশের অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দৃশ্যমান। তাছাড়া বর্তমানে যেসব ক্রয়াদেশ পাওয়া যাচ্ছে এবং আগের ক্রয়াদেশের বিপরীতে যে পোশাক রপ্তানি কার্যক্রম চলমান রয়েছে তার পেমেন্ট পে-তেও ৬ মাস সময় লাগবে। ফলে বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পখাত আর্থিক সংকটে রয়েছে।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটিসহ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। পর্যায়ক্রমে ছুটি ও লকডাউনের সময় বাড়িয়ে ৩০ মে করা হয়েছে। পোশাকশিল্পের বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি উত্তরণে এবং জাতীয় রপ্তানির বৃহত্তর স্বার্থে তৈরি পোশাকশিল্পের আমদানিকৃত পণ্য চালান দ্রুত খালাসে যতদিন সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও লকডাউন বলবৎ থাকবে ততদিন পর্যন্ত ডেমারেজ চার্জ মওকুফের সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি।