রোহিঙ্গাসহ কক্সবাজারে আরও ২৩ জনের করোনা শনাক্ত

কক্সবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় এক রোহিঙ্গাসহ আরও ২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গতকাল শনিবার বিকেল পর্যন্ত চার রোহিঙ্গাসহ জেলায় ১৭৪ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এদিকে গত শুক্রবার তিন রোহিঙ্গার করোনা শনাক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হলেও তাদের মধ্যে একজন এনজিওকর্মী বলে গতকাল জানিয়েছেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. অনুপম বড়ুয়া। বিকেলে ডা. অনুপম বড়ুয়া জানান, শুক্রবার কক্সবাজারের ৮টি উপজেলা, ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা এবং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থেকে ১৮৪ জন সন্দেহভাজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে পরীক্ষায় ২৪ জনকে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি আগে শনাক্ত রোগীর ফলোআপ রিপোর্ট। অপর ২৩ জনের মধ্যে এক রোহিঙ্গা রয়েছে। অন্যদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৬ জন, চকরিয়ায় ৮ জন, উখিয়ায় ৭ জন এবং পেকুয়ায় একজন রয়েছে। বাকিরা বান্দরবান এবং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়ার বাসিন্দা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত ৪৫ দিনে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৩ হাজার ৭৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ১৮৯ জনের প্রতিবেদন পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চার রোহিঙ্গাসহ ১৭৪ জন কক্সবাজারের। তাদের মধ্যে ৬১ জন চকরিয়া, ৪৩ জন সদর, ২২ জন পেকুয়া, ২১ জন উখিয়া, ১২ জন মহেশখালী, ৭ জন টেকনাফ, ৩ জন রামু ও ১ জন কুতুবদিয়ার বাসিন্দা।

এদিকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রঞ্জন বড়ুয়া বলেন, কুতুপালং ক্যাম্পের চার রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ ছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এক এনজিও কর্মীর শুক্রবার করোনা শনাক্ত হয়। তিনি পালংখালী ইউনিয়নের থাইনখালী এলাকায় বাস করেন।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দীন চৌধুরী জানান, এনজি সংস্থা ইপসার এক কর্মীর করোনা শনাক্তের পর শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের পাশে মৃত আশরাফ আলীর ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম খচ্চুর বাড়িসহ আশপাশের বাড়িগুলো লকডাউন করে দেওয়া হয়।