এসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন শিবলী রুবাইয়াত

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ চার বছরের জন্য তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তবে চেয়ারম্যানের নিয়োগ হলেও এসইসির তিন কমিশনার নিয়োগে এখনো কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় এসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. খায়রুল হোসেন দায়িত্ব পালনের পর ১৪ মে তার মেয়াদ শেষ হয়। এরপরই নতুন চেয়ারমান হিসেবে শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম নিয়োগ পেলেন। বর্তমানে শিবলী রুবাইয়াত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সাধারণ বীমা করপোরেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান দেশ রূপান্তরকে জানান, প্রজ্ঞাপনের পর গতকাল বিকেলে শিবলী রুবাইয়াত এসইসিতে যোগদান করেছেন। বিকেল ৩টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা অফিস করেছেন। এ সময় এসইসির উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, এসইসিতে নিয়োগের জন্য আরও তিনজন কমিশনার চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তিন কমিশনারের নিয়োগের প্রস্তাব এখনো আসেনি। প্রস্তাব অনুমোদন হলে আগামীকাল এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এসইসির নতুন তিনজন কমিশনারের প্রস্তাবিত তালিকায় রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব অজিত কুমার পাল এফসিএ ও কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট এ কে এম দেলোয়ার হোসেন। অধ্যাপক ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ ও অজিত কুমার পাল দুজনই বর্তমানে জনতা ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আর এ কে এম দেলোয়ার হোসেন বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের পরিচালক হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রয়েছেন।

২০১০ সালের পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির পর পুনর্গঠিত কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১১ সালের ১৫ মে ড. খায়রুল নিয়োগ পান। টানা তিন মেয়াদে তিনি ৯ বছর দায়িত্ব পালন করেন। একইভাবে ৯ বছর দায়িত্ব পালন করে গেছেন কমিশনার হেলাল উদ্দিন নিজামীও। মাঝখানে কমিশনার হিসেবে অধ্যাপক স্বপন কুমার বালা নিয়োগ পান। তিনিও মেয়াদ শেষে আগের কর্মস্থলে ফিরে গেছেন। পুরনো কমিশনারদের মধ্যে একমাত্র খন্দকার কামালুজ্জামান দায়িত্বে রয়েছেন।