বালিশকাণ্ড

হাইকোর্টে জামিন মেলেনি ঠিকাদার শাহাদতের

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎকেন্দ্র প্রকল্পের একটি ভবনের আসবাবসামগ্রী অস্বাভাবিক দামে কেনার অভিযোগে দুর্নীতির দুই মামলায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাজিন কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী শাহাদত হোসেনকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। গতকাল রবিবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে জামিনের আবেদনটি খারিজ করে দেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের গ্রিন সিটি আবাসন পল্লীর একটি ভবনের আসবাব, বালিশসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা ও তা ভবনে তোলায় অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে গত বছরের ১৬ মে ‘দেশ রূপান্তর’ পত্রিকায় ‘কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে ওই ভবনের আসবাব ও অন্যান্য সামগ্রী কেনায় দুর্নীতির চিত্র উঠে আসে। এর মধ্যে একেকটি বালিশের দাম দেখানো হয় ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর একটি বালিশ ভবনে তুলতে খরচ দেখানো হয় ৭৬০ টাকা করে। এ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

গতকাল ভিডিও কনফারেন্সে আসামি শাহাদতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শফিক আহমেদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফজলুল হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। পরে বশির উল্লাহ জানান, আলোচিত এ ঘটনায় দুদকের পক্ষে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর পাবনায় দুটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে একটি মামলায় ৮ জন ও আরেকটিতে ৭ জনকে আসামি করা হয়। তবে দুই মামলাতেই গণপূর্তের বেশ কয়েকজন প্রকৌশলীসহ আসামি একই। ঠিকাদার শাহাদতকে দুটি মামলাতেই আসামি করা হয়েছে। এর আগে তিনি হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে জামিনের আবেদন করলেও তা নাকচ হয়।