দুপুরে ভাইকে খুন রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মো. সুজন (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। গত রবিবার গভীর রাতে ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের ভেলানগর গ্রামের একটি বাগানে এ ঘটনা ঘটে বলে ভাষ্য পুলিশের। এর আগে একই দিন দুপুর ১২ টার দিকে ছুরিকাঘাতে মামাতো ভাই মাহবুব হাসান ওরফে বাবুকে হত্যার অভিযোগে সুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

পুলিশ বলছে, ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর সুজনকে নিয়ে মামলার আলামত উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তার সহযোগীরা। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে সহযোগীদের গুলিতে মৃত্যু হয় সুজনের।

নিহত সুজন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সদরের জগন্নাথপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। আর ছুরিকাঘাতে নিহত তার মামাতো ভাই মাহবুব হাসান ওরফে বাবু (২৭) জগন্নাথপুর গ্রামের গৌরি হোসেনের ছেলে। 

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি সালাহ উদ্দিন চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধের জেরে আপন মামাতো ভাই বাবুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে সুজন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ অভিযুক্ত সুজনকে আটক করে। এ ছাড়া সে আরও বেশ কয়েকটি মামলার আসামি ছিল।

ওসি আরও বলেন, ‘আটকের পর সুজনের দেওয়া তথ্যমতে তার বাকি সহযোগীদের ধরতে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধারের জন্য রাতে তাকে নিয়ে ভেলানগর গ্রামের একটি বাগানে যায় পুলিশ। সেখানে সুজনের সহযোগীরা বসে আড্ডা দিচ্ছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি চালাতে থাকে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গুলি চালানোর সময় সুজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয় সে। পরে তাকে উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

ঘটনাস্থল থেকে সুজনের সহযোগীদের ফেলে যাওয়া একটি দেশে তৈরি পাইপগান ও কার্তুজের ব্যবহৃত চারটি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।