ভোলায় ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় প্রস্তুত জেলা প্রশাসন

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ ক্রমশই এগিয়ে আসছে উপকূলের দিকে। ইতিমধ্যে ৭ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

‘আম্ফানের’ প্রভাবে জেলার কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। শহর ও গ্রামের হাটবাজারগুলোতে সতর্কতা বার্তা দিয়ে মাইকিং করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো। উপকূলীয় দ্বীপজেলা ভোলায় ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিভিন্ন সতর্কতামূলক প্রস্তুতি নিয়েছে।

সাইক্লোন সেল্টারে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে এবার প্রায় ১ হাজার ১০৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে।

এছাড়া সব স্কুল-কলেজগুলোকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুতির নির্দেশনা দেয় জেলা প্রশাসন।

অপরদিকে সিপিপি ও রেড ক্রিসেন্ট এর ১০ হাজার ২০০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে ১০০টি মেডিকেল টিম।

জেলার সাত উপজেলায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ মোট ৮টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। এছাড়া ভোলার বিচ্ছিন্ন ঢালচর থেকে ট্রলারযোগে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দীকি জানান, ইতিমধ্যেই ঢালচর, কুকরি-মুকরিসহ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ চর থেকে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, জেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় এক থেকে দেড় ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় পূর্বে নির্মিত বেড়িবাঁধগুলোই যথেষ্ট বলে মনে করেন তিনি।