চট্টগ্রামের দুই চিকিৎসকের জন্য প্লাজমা দিয়েছেন করোনা জয় করে ফেরা সিএমপির প্রথম পুলিশ সদস্য অরুণ চাকমা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অরুণের শরীর থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়।
সিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (সদর) মইনুল ইসলাম বলেন, সিএমপির উত্তর জোনে কর্মরত কনস্টেবল অরুণ চলতি সপ্তাহে কাজে যোগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি নগরীর প্রবর্তক মোড়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বিকেলে ডিউটি শেষে তিনি নিজেই হাসপাতালে গিয়ে প্লাজমা দেন। কনস্টেবল অরুণের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্লাজমা করোনা আক্রান্ত চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দু'জন চিকিৎসককে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ এপ্রিল সিএমপির ৪০ বছর বয়সী ট্রাফিক সদস্য অরুণ চাকমার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এরপর তিনি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ৩ মে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান।
করোনা মোকাবিলায় গঠিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মিনহাজুর রহমান বলেন, গত ২৬ মে চমেক হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের এক চিকিৎসককে প্রথম দফায় প্লাজমা দেওয়া হয়। অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় তার শরীরে দ্রুততার সাথে ২৫০ মিলিলিটার প্লাজমা দেওয়া হয়। এরপর থেকে তার শরীরের অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও আশঙ্কামুক্ত নন।
এজন্য তাকে দ্বিতীয় দফায় শুক্রবার সকালে প্লাজমা দেওয়া হবে। সিএমপির সদস্য অরুণ চাকমার কাছ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২৬ মে ডা. মিনহাজুর রহমানের উদ্যোগে করোনা থেকে সুস্থ হওয়া সাতকানিয়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ তারেকের কাছ থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করে ডা. সামিরুল ইসলাম বাবুর শরীরে দেয়া হয়।