কমেছে ব্রয়লার মুরগির বেড়েছে ডিমের দাম

টানা দুই সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর কিছুটা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। দুই মাস পর বেড়েছে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। আদার দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ফের ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি, মাছ, মাংস ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম। অধিকাংশ বাজারে বেশিরভাগ সবজি ৩০-৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ২৫ মার্চ সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কমতে শুরু করে। এক পর্যায়ে প্রতি ডজন ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম কমে দাঁড়ায় ৮০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয় ১১০-১২০ টাকায়। এ সময় লোকসানের ভয়ে খামারিরা নতুন করে ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার সংগ্রহ বাড়াননি। এতে ঈদের দুই সপ্তাহ আগে বাজারে ব্রয়লার মুরগির স্বল্পতা সৃষ্টি হয়। ক্রমেই বাড়তে থাকে মুরগির দাম। ঈদে এসে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম দাঁড়ায় ১৮০ টাকা পর্যন্ত। তবে গতকাল এই দাম কিছুটা কমে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৬০ টাকায়। অন্যদিকে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন সপ্তাহ ব্যবধানে কিছুটা বেড়ে গতকাল বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ব্রয়লার মুরগির দাম আরও কমতে পারে। আর ফার্মের মুরগির ডিমের দামও কিছুটা বাড়তে পারে।

বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, চিচিংগা ৪০-৫০, পটোল ৩০-৪০, পেঁপে ৩০-৫০, করলা ৩০-৪০, বরবটি ৪০-৫০, ঝিঙা ৪০-৫০ টাকা। আর রমজানে প্রতি কেটি ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হওয়া বেগুন এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। শসার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকায়। এছাড়া প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০, মিষ্টি কুমড়া ২০-৩০ ও চাল কুমড়া ৩০-৪০ টাকা।

প্রতিকেজি ছোট আকারের রুই, কাতল ও মৃগেল বিক্রি হচ্ছে বাজার ভেদে ২৩০-২৫০ এবং বড় আকারের রুই, কাতল ও মৃগেল বিক্রি হচ্ছে বাজার ভেদে ৩২০-৪৫০ টাকায়। এছাড়া তেলাপিয়া ১৩০-১৬০, চাষের পাঙ্গাশ ১৪০, নদীর পাঙ্গাশ ৩০০-৩৫০, শিং ৩০০-৪৫০, পাবদা ৪০০-৪৫০, টেংরা ৪৫০-৫০০, বাগদা ও গলদা ৫০০-৬০০, বোয়াল ৫০০-৭০০ ও শোল মাছ ৬০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫৫০-৬০০, খাসি ৭৫০-৮০০, দেশি মুরগি ৪০০-৪৫০ ও লাল মুরগি ১৯০-২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।