দুই মাস পর কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চলছে লঞ্চ-স্পিডবোট

দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে বন্ধ থাকা লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হয় বলে কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৪ মার্চ দুপুর থেকে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে বন্ধ রাখা হয় লঞ্চ ও স্পিডবোট।

ফেরি চালু থাকায় সাধারণ যাত্রীরা ফেরিতে পার হয়ে আসছেন এতদিন ধরে। এদিকে রবিবার থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচলে লঞ্চ ও স্পিডবোট মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

শনিবার বিকেলের দিকে লঞ্চ মালিক সমিতির এক জরুরি মিটিংও অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে চলাচলের উদ্দেশ্যে শ্রমিকেরা লঞ্চ ও স্পিডবোট ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে বলেও ঘাট সূত্র জানিয়েছে।

কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ ঘাট সূত্র জানায়, রবিবার সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে। যাত্রী উঠানোর আগে এবং যাত্রী নামানোর পরে জীবাণুনাশক দ্বারা পুরো লঞ্চ ও স্পিডবোটকে স্প্রে করতে হবে।

লঞ্চের ভেতরে হাত ধোয়ার সকল ব্যবস্থা রাখতে হবে। পর্যাপ্ত পানি, সাবান, স্যাভলন রাখতে হবে। লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রী উঠার আগে পন্টুন থেকেই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে উঠতে হবে।

এছাড়া ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পারাপার, লঞ্চ ও স্পিডবোটের চালক-কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশনা মেনে লঞ্চ ও স্পিডবোট চালু হচ্ছে কাল থেকে।

কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি বিএম আতাউর রহমান আতাহার বেপারী জানান, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রায় ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে রবিবার সকাল থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু করেছে।

বিআইডব্লিউটিএ'র কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রবিবার সকাল থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীদের পারাপার হতে হবে। লঞ্চ ও স্পিডবোট মালিক-চালক ও শ্রমিকদেরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে নৌযান পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী বহন করা যাবে না। এই নির্দেশ অমান্য করার চেষ্টা করলে সেই নৌযানকে বন্ধ করে দেয়া হবে।