করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থলবন্দর দিয়ে দুই মাস বন্ধ থাকার পর রেলপথে হিলি দিয়ে দ্বিতীয় দফায় ভারত থেকে ১ হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আমদানি অব্যাহত থাকায় পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম নিম্নগামী রয়েছে। দ্বিতীয় দফায় আমদানি হওয়ায় এসব পেঁয়াজ ট্রাকসেলে কেজি ২১-২৪ টাকা দরে ছাড়া হচ্ছে, যা প্রথম চালানের সময় ২৪-২৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় বন্দরে শ্রমিকদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে।
মেসার্স সুমাইয়া ট্রেডার্স আমদানি করা ১ হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজের চালান ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে নিয়ে ৪২টি বগির ট্রেনটি দর্শনা দিয়ে হিলি রেলস্টেশনে আসে গতকাল সোমবার সকাল সোয়া ১০টায়। ট্রেনটি থেকে পেঁয়াজগুলো খালাসের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর আগে গত ২৮ মে হিলি দিয়ে রেলপথে ১ হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল।
পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশে আমদানি পেঁয়াজের বেশির ভাগই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পূরণ হয়ে থাকে। কিন্তু করোনার সংক্রমণ রোধে সৃষ্ট অচলাবস্থায় বন্দর দিয়ে দুই মাসের বেশি সময় ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমায় পেঁয়াজের দাম বাড়ে। এ অবস্থায় সরকার অনুমতি দেওয়ায় রেলপথে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। আজ (গতকাল) দ্বিতীয় দফায় ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে পেঁয়াজ হিলিতে এসেছে। ৫ জুন আরও চালান হিলি রেলস্টেশনে এসে পৌঁছাবে। আশা করছি, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও কমবে।
হিলি রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার রুহুল আমিন বলেন, পেঁয়াজের চালান নিয়ে পণ্যবাহী ট্রেনটি দর্শনা বন্দর দিয়ে সকালে হিলিতে পৌঁছে। পণ্য খালাস হয়ে গেলে বিরল অথবা দর্শনা রেলবন্দর দিয়ে ট্রেনটি ভারতে ফিরবে।