গাজীপুর ও মানিকগঞ্জে ২ জন ধর্ষণের শিকার

গাজীপুরের গাছায় বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। র‌্যাব বলছে, নগরীর সাইনবোর্ড এলাকার ওই ঘটনায় গত রবিবার রাতে মো. শামছুর রহমান (৫৫) নামে এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মানিকগঞ্জের ঘিওরে গৃহবধূকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে একই দিন রাতে তিন যুবককে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

র‌্যাব-১-এর গাজীপুরের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ধর্ষণের শিকার ওই যুবতীর স্বজনরা জানিয়েছেন, ১০ বছর যাবৎ বিয়ের প্রলোভনে ওই যুবতীকে ধর্ষণ করে আসছে শামছুর। বিষয়টি কাউকে না জানাতে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শামছুরকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে সে। এ ঘটনায় গাছা থানায় একটি মামলা হয়েছে।

এদিকে ঘিওর থানার ওসি আশরাফুল আলম জানান, রবিবার সকালে ফ্ল্যাক্সিলোড করতে বরটিয়া বাজারে যান ওই গৃহবধূ। এ সময় তার চাচাতো দেবর ওয়াসিম কথা বলার নাম করে তাকে বাজারের পাশে একটি নির্জন ভিটায় নিয়ে যায়। পরে ওয়াসিম ও তার ৭-৮ জন সহযোগী মিলে ওই গৃহবধূকে দল বেঁধে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে একটি মামলা করলে ওই রাতেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলো মৌহালী গ্রামের ওয়াসিম হোসেন (২০), বারিক হোসেন (২২) ও রেদোয়ান (২১)। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

মাদারীপুরে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা : রাজৈরে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ বলছে, উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের ওই ঘটনায় গতকাল সোমবার ইউনুস ফকির (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, রবিবার চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের ঘরে ডেকে নেয় ইউনুস ফকির। অনেক সময় ধরে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে তার মা ওই ঘরে গেলে ইউনুস ও শিশুটিকে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখতে পায়। রাজৈর থানার ওসি খন্দকার শওকত জাহান জানান, শিশুটির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউনুসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। মামলার প্রস্তুতি চলছে।