নীতিমালা অমান্য করে গত ৫ মে এক কোটি তিন লাখ টাকায় ৬০টি সরকারি জলমহাল ইজারা না দিয়ে মাত্র ১৮ লাখ ৬২ হাজার টাকায় ইজারা দেয় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বঞ্চিত ১২টি প্রকৃত মৎস্যজীবী সমিতি ৩০টি জলমহালের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করে। পরে শুনানি শেষে তারা ১৭টি জলমহাল ফিরে পান। এতে করে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনো ১২টি জলমহাল রয়েই গেছে ১১টি অনিবন্ধিত মৎস্যজীবী সমিতির কাছে। জলমহাল ইজারায় অনিয়ম সংক্রান্ত একটি সংবাদ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে গোবিন্দগঞ্জের ইউএনও রামকৃষ্ণ বর্মণকে বদলি করা হলেও পরে তা আবার বাতিল করা হয়।
জলমহাল নীতিমালায় আছে, প্রকৃত মৎস্যজীবীদের সংগঠন স্থানীয় পর্যায়ে সমবায় অধিদপ্তরে বা সমাজসেবা অধিদপ্তরে নিবন্ধিত হলে স্থানীয় জলমহাল ব্যবস্থাপনা বা ইজারায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি বা কোনো অনিবন্ধিত সমিতি সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় আবেদন করতে পারবেন না। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, জলমহাল বিধি অনুসারে সবগুলো আপিল নিষ্পত্তি করে ইজারা পাওয়া মৎস্যজীবীদের ইজারা বাতিল করে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রকৃত মৎস্যজীবীদের দেওয়া হয়েছে।