বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত ৮৭৫ জন রোগীর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৭৪জন।
শুক্রবার বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলা ব্যতীত বিভাগের ৪ জেলায় নতুন করে আরও ৬৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
সংক্রমণ প্রতিরোধে বিদেশ থেকে আগত ছাড়াও সংক্রমিত অন্য জেলা ও এলাকা থেকে যারা আসছেন, তাদেরও কোয়ারেন্টিনে রাখার কার্যক্রম এখনও চলছে। গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনসহ বিভাগের ৬ জেলায় মোট ১৫ হাজার ৪০৪ জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
এদের মধ্যে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় ১৪ হাজার ৩৩০ জনকে। ইতোমধ্যেই তাদের ১১ হাজার ৭৮৯ জন হোম কোয়ারেন্টিন শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়া বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ১ হাজার ৭৪ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন থেকে এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১৭ জন।
এর বাইরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৭৮৯। তাদের মধ্য থেকে ৩৫১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ও করোনা ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত মোট ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জন করোনা পজিটিভ। বাকিরা করোনা উপসর্গে নিয়ে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন।
বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানিয়েছেন, বিভাগের মধ্যে এ পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ৫৩২ জন, পটুয়াখালীতে ৭৩, ভোলায় ৫৫, পিরোজপুরে ৭৮, বরগুনায় ৭৯ ও ঝালকাঠিতে ৫৮ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। বিভাগে ১৭৪ জন সুস্থ হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, করোনা পজিটিভ হয়ে মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলা, গলাচিপা, মির্জাগঞ্জ ও দুমকিতে ১ জন করে মোট ৪ জন, বরিশাল নগরের কাজিপাড়ায় ১ জন, বাকেরগঞ্জে ১ জন ও মুলাদীতে ২ জন, বরগুনা জেলার আমতলী ও বেতাগীতে ১ জন করে মোট ২ জন, ঝালকাঠির নলছিটি ও কাঠালিয়াতে ১ জন করে মোট ২ জন, পিরোজপুরের নেছারাবাদ ও নাজিরপুরে ১ জন করে ২ জন এবং ভোলার লালমোহন ও চরফ্যাশনে ১ জন করে মোট ২ জন।