চলচ্চিত্র বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করব

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। করোনা-পরবর্তী সময়ে বাংলা সিনেমার ভবিষ্যৎ নিয়ে কী ভাবছেন তিনি? তার সঙ্গে কথা বলেছেন নাহিয়ান ইমন চলচ্চিত্র বাঁচিয়ে রাখতে করোনার প্রকোপে বিশ্ব অর্থনীতিই ধসের মুখে পড়েছে। আমাদের চলচ্চিত্রাঙ্গনে তার আঁচ পড়বে এটাই স্বাভাবিক। অনেকেই চলচ্চিত্রের অস্তিত্ব টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন। চলচ্চিত্রে সার্বিক ক্ষতির চিত্র স্পষ্টভাবে বোঝা যাবে করোনা পরবর্তী সময়ে! তবে আমি বিশ্বাস করি, নিরাপদে থেকে সঠিকভাবে এ অবস্থা মোকাবিলা করা যায়। চলচ্চিত্রে আবার এক বিপ্লব ঘটাতে হবে। আমি চলচ্চিত্র শিল্প বাঁচাতে লড়ে যেতে চাই।

পরবর্তী পরিকল্পনা

করোনা পরবর্তী সময়ে হলিউড বলিউড থেকে পৃথিবীর সব ইন্ডাস্ট্রির সিনেমায় পরিবর্তন আসবে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতেও ব্যতিক্রম কিছু ঘটবে না। করোনার পর আমি আমার মতো করে কাজ করে যাব। এখন আমার মতো করে আগামীর কাজের জন্য সবকিছু গোছাচ্ছি, পরিকল্পনা করছি। দেশের বাইরে ফ্রেন্ডস সার্কেল আছে, কিছু মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি আছে তাদের নিয়ে আমি ভালো কাজের চেষ্টায় আছি। আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা হবে শুধু চলচ্চিত্রকে বাঁচানো।

একটা সিনেমার সঙ্গে শত শত পরিবার জড়িত থাকে। সেখানে ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক, গল্প, ডিওপি, টেকনিশিয়ান কাজ করে। কাজ বেশি হলে কম টাকা পেলেও তাদের পরিবারগুলো ভালো থাকবে। তাই দরকার হলে আগের মতো বেশি বেশি সিনেমা করব। তবে সেগুলো হবে মানসম্মত। আমার আগামী কাজের মধ্যে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া মিলিয়ে সিনেমা থাকবে। দেশের সিনেমাগুলো অল্প বাজেটের গল্পনির্ভর সিনেমা থাকবে। এ সেক্টরের কিছু মানুষ কাজ না পেয়ে যেন সমস্যায় না পড়ে সেজন্য তাদের যতটা সম্ভব কাজ নিশ্চিত করব। ইন্ডাস্ট্রির সম্মানিত মধ্যবিত্ত মানুষ আছেন, তারা পাঁচ থেকে ১০ কেজি করে ত্রাণ নেওয়ার জন্য সামনেই আসতে চাইবেন না। তাদের সম্মান নিয়ে বাঁচতে হলে কাজে ব্যস্ত থাকতে হবে। আর আমি সেটাই নিশ্চিত করব।

পারিশ্রমিক বিতর্ক

আমি কাউকেই আমাকে দিয়ে কাজের জন্য বা আমার পারিশ্রমিক কমানোর কোনো কথাই বলিনি। কে আমাকে কত টাকা পারিশ্রমিক দিয়ে সিনেমা করাবে তার চেয়ে বড় কথা হলো আমি আদৌ তাদের সঙ্গে কাজ করব কি না সেটা বড় ব্যাপার। আমার নিজের প্রোডাকশন হাউজ আছে। তাছাড়া আমার সঙ্গে সবকিছু ব্যাটে-বলে টাইমিং হতে হবে!