নওগাঁর পোরশার নীতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুভাষ রায় (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোরে সীমান্তের ২২৭ নম্বর পিলারের কাছে ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে কুড়িগ্রামের রৌমারীর গয়টা পাড়া সীমান্ত থেকে হযরত আলী (৪৮) নামে এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ। গতকাল ভোরে ১০৬০ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে:
নওগাঁয় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত : নওগাঁর পোরশার নীতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুভাষ রায় (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোরে নীতপুর সীমান্তের ২২৭ নম্বর পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুভাষ রায় পোরশা উপজেলার তুড়িপাড়া গ্রামের ভুলু রায়ের ছেলে।
এলাকাবাসী জানায়, গত রবিবার রাতের কোনো এক সময় সুভাষ রায়সহ কয়েকজন গরু আনতে নীতপুর সীমান্তের ২২৭ নম্বর মেইন পিলারের পাশ দিয়ে ভারতে ঢোকে। পরে গতকাল ভোরে গরু নিয়ে বাংলাদেশে ফেরার সময় ভারতের মালদহ জেলার বিএসএফ-১৫৯ ব্যাটালিয়নের আগ্রাবাদ ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও সুভাষ রায় গুলিবিদ্ধ হয়। পরে সকালে ৮টার দিকে সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ভেতরে ভারতের নিমতলা এলাকা থেকে তার লাশ বিএসএফ সদস্যদের তুলে নিয়ে যেতে দেখে এলাকাবাসী।
বিজিবির নীতপুর ক্যাম্পের সুবেদার আনিসুর রহমান গতকাল দুপুরে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে এমন সংবাদ শুনেছি। তবে এখনো নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।’
রৌমারীতে গরু ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ : কুড়িগ্রামের রৌমারীর গয়টা পাড়া সীমান্তে হযরত আলী (৪৮) নামে এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ।
বিজিবি জানায়, গতকাল ভোরে আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬০ এর কাছ দিয়ে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল গরু আনতে ভারতে যায়। এ সময় বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে বাকিরা পালিয়ে এলেও হযরত আলীকে ধরে নিয়ে যায় ঝালরচর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা।
আটক হযরত আলীর বাড়ি শৌলমারী ইউনিয়নের লাউয়াবাড়ী গ্রামে।
৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল এস এম আজাদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, আটক বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনতে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে।