চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালা প্রকাশ

পূর্ণদৈর্ঘ্যে ৭৫ ও স্বল্পদৈর্ঘ্যে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালা প্রকাশ করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। এতে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ ও স্বল্পদৈর্ঘ্যরে জন্য ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০১২ (সংশোধিত) থেকে বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত যুক্ত করে গত সোমবার সরকারি অনুদান নীতিমালা ২০২০ (সংশোধিত) গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতি অর্থবছরে প্রাপ্ত বরাদ্দের আলোকে সর্বোচ্চ ১০টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে অনুদান প্রদানের জন্য বিবেচনা করা হবে। এর মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্যরে ক্ষেত্রে একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্যরে ক্ষেত্রে একটি শিশুতোষ চলচ্চিত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে সাহিত্যনির্ভর মৌলিক গল্প ও চিত্রনাট্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে কোনো বছর প্রয়োজনীয়সংখ্যক ও উপযুক্ত প্রস্তাব না পাওয়া গলে সে বছর অনুদান প্রদান বন্ধ অথবা অনুদানের সংখ্যা কমানো যাবে। অনুদানপ্রাপ্তির জন্য মনোনীত চলচ্চিত্রের প্রযোজককে অনুদান নীতিমালার আওতায় পূর্ণদৈর্ঘ্যে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ ও স্বল্পদৈর্ঘ্যে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান প্রদান করা হবে। অনুদান প্রদানের জন্য সরকার কর্র্তৃক নির্ধারিতসংখ্যক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত চলচ্চিত্রের গল্প লেখককে ৫০ হাজার এবং চিত্রনাট্যকারকে ৫০ হাজার টাকা উৎসাহ পুরস্কার প্রদান করা হবে। গল্পলেখক কিংবা চিত্রনাট্যকার একাধিক হলে পুরস্কারের অর্থ সমহারে বিভাজ্য হবে। তবে অনুদানপ্রাপ্ত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ন্যূনতম ১০টি সিনেমা হলে মুক্তি দেওয়ার নতুন শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে নীতিমালায়। নীতিমালার অন্যান্য শর্তের মধ্যে রয়েছে অনুদানের চেক প্রাপ্তির ৯ মাসের মধ্যে চলচ্চিত্রের নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে, চলচ্চিত্রের ভাষা ও বিষয়বস্তু জেন্ডার সংবেদনশীল হতে হবে, ডিজিটাল ফরমেটে দৃশ্যধারণ করতে হবে। নতুন নীতিমালার আলোকে শিগগিরই ১১ সদস্যের অনুদান কমিটি ও ৭ সদস্যের অনুদান বাছাই কমিটি গঠন করা হবে। প্রতি বছর ৩১ আগস্টের মধ্যে চলচ্চিত্রের গল্প, চিত্রনাট্য আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে তথ্য মন্ত্রণালয়।