বগুড়ায় করোনাভাইাসে আক্রান্ত আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক কৃষকের এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল থেকে বেসরকারি টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় এক আইনজীবীর সহকারীর।
কৃষকের নাম জালাল উদ্দিন প্রামাণিক (৫৫)। তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের দেওয়ানপুর গ্রামের বানসন্দা। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে শুক্রবার রাত ৮টায় মারা যান তিনি।
হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ জানান, বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে জালাল উদ্দিনকে গত মঙ্গলবার এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করে হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। নমুনা পরীক্ষায় শুক্রবার তিনি করোনায় সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত হন। এদিন রাত ৮টায় তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে মারা যাওয়া আইনজীবীর সহকারীর নাম নূরুল ইসলাম (৫৩)। তিনি বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া আলোর মেলা স্কুলসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ি এলাকায়।
তার ছেলে সাদিকুল ইসলাম জানান, নূরুল জ্বর, কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ ভুগছিলেন। ১২ জুন টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তিনি করোনায় সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত হন।
এরপর বাড়িতেই আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে একজন চিকিৎসক দেখার পর টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে ওই হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
করোনা পজিটিভ হয়ে মারা যাওয়া দুজনের লাশই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফন করা হয়েছে।