রাতভর প্রেমিকাকে ধর্ষণ মামলার আসামী ২ দিনেও গ্রেপ্তার হয়নি

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের কুনকুনিয়া গ্রামের এক কিশোরিকে (১৬) প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও বিয়ের প্রলোভনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রাতভর একটি থেমে থাকা বাসের মধ্যে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ১৩ জুন গভীর রাতের এ ঘটনায় ১৮ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে কাজীপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। এতে প্রেমিক ও ওই বাসের চালককে আসামী করা হয়েছে। আসামীরা হল-কাজিপুর সদর ইউনিয়নের পাইকরতলী গ্রামের নৈশপ্রহরী ফরিদ উদ্দিনের ছেলে প্রেমিক আরিফ হোসেন (২২) ও একই ইউনিয়নের মসলিমপাড়া গ্রামের বুদ্ধুর ছেলে বাসচালক মারুফ হোসেন (২৬)। এ ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে।

এ বিষয়ে কাজিপুর থানার ওসি পঞ্চানন্দ দাস ও এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পান্থ দাস বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ধর্ষক আরিফের সাথে ওই কিশোরির প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভনে গত ১৩ জুন গভীর রাতে ওই কিশোরিকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। এরপর একটি সিএনজি টেম্পু যোগে বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দূরে একটি দাঁড়িয়ে থাকা বাসের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওই বাসের চালক মারুফের সহযোগীতায় রাতভর তাকে ধর্ষণ করে। এরপর ভোররাতের দিকে তাকে ওই বাস থেকে নামিয়ে নিয়ে মেঘাই বাজারের কাছে একা ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। উপায় না দেখে কিশোরিটি বাড়ি ফিরে প্রেমিক আরিফের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। কিন্তু আরিফ তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় নিরুপায় হয়ে ১৮ জুন সে থানায় এ ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।

তারা আরো জানান,ভিকটিম ওই কিশোরি এখন তার নিজবাড়ি উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের কুনকুনিয়া গ্রামেই অবস্থান করছে। তার মেডিকেল পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া আসামীদের গ্রেপ্তাওর পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে। কিন্তু তারা ঘটনার পর থেকে পালিয়ে থাকায় তাদের এখনও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে আশা করছি অচিরেই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।