ইমনের সঙ্গে কাজগুলো দর্শক পছন্দ করে

কোনো নায়ক-নায়িকা জুটির চেয়ে কম জনপ্রিয় নয় চিত্রতারকা নিরব-ইমনের জুটি। একসঙ্গে বিজ্ঞাপন, নাটক ও সিনেমায় কাজ করেছেন। বাস্তব জীবনেও ভালো বন্ধু। আবার একসঙ্গে পথ চলবেন দুজন। এ নিয়ে কথা বলেছেন নিরব

নতুন যাত্রা...

এবার একদমই নতুন একটি কাজে পাওয়া যাবে আমাকে আর ইমনকে। আমরা একসঙ্গে উপস্থাপনা করব। এটি একটি রেডিওর ধারাবাহিক শো। অনুষ্ঠানটির নাম ‘অ্যান আওয়ার উইথ নিরব-ইমন’। তবে অনুষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হতে পারে। এক ঘণ্টার অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার হবে। নিজ নিজ বাসায় বসে অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেবেন অতিথি ও উপস্থাপক। অনুষ্ঠানটি মূলত তারকাদের গল্প নিয়ে। আমাদের সঙ্গে প্রতিদিন গান, নাটক, সিনেমাÑ যেকোনো একটি মাধ্যম থেকে একজন করে তারকা অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। এটি কোনো পূর্ব প্রস্তুতির শো হবে না। অতিথি আসবেন, আমরা দুজন অতিথির সঙ্গে গল্প করব, মজা করব, নানা বিষয় নিয়ে আড্ডা দেব। অনুষ্ঠানটি প্রতি বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা প্রচার হবে। গত ১৫ জুন থেকে কাজটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমরা সব গুছিয়ে আনতে পারিনি। আশা করছি  শিগগিরই প্রচার শুরু করতে পারব।

যে কারণে উপস্থাপনায়...

করোনার জন্য বাসায় বসে আছি। হাতে সময় আছে। ফেইসবুকে অনেকেই লাইভ অনুষ্ঠান করছেন। প্রস্তাব পাওয়ার পর মনে হলো একটু গুছিয়ে রেডিওর এই সরাসরি শো করা যেতে পারে। তা ছাড়া আমি আর ইমন একসঙ্গে উপস্থাপনা করব। দুজনের অনেক গল্প আছে। অতিথির সঙ্গে মজা করে আড্ডা দিয়ে কাজটি করা যাবে।

আটকে থাকা কাজ...

লকডাউনের আগে সৈকত নাসিরের ‘ক্যাসিনো’ সিনেমার শ্যুটিং করছিলাম। তার মধ্যে ‘তিতুমীর’ সিনেমার পোস্টার প্রকাশ হয়। এই কাজটিও শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সব কাজ পিছিয়ে গেছে। সব ঠিক হলে আরও নতুন সিনেমার ঘোষণা দিতে পারব।

পারিশ্রমিকের প্রসঙ্গ...

সারা বিশ্বই করোনার কারণে স্থবির। সব দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতেই এর প্রভাব পড়েছে। আমার মনে হয় এই ক্ষতি সামলে না ওটা পর্যন্ত সব দেশেই তরকাদের পারিশ্রমিক বা সামগ্রিক প্রোডাকশনের বাজেট কমে যাবে। আমাদের দেশের অনেক তারকা তাদের পারিশ্রমিক কমাতে চেয়েছেন। তাদের আমি সাধুবাদ জানাই। আমিও মনেপ্রাণে চাই চলচ্চিত্র শিল্প যাতে সচল থাকে। তাহলেই আমরা শিল্পীরা কাজ করতে পারব। এ জন্য তেমন কোনো পরিস্থিতি এলে আমিও প্রযোজক-পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেব যাতে কাজটি করা যায়।

ভাবনায় পরিবর্তন...

আজকাল মাঝেমধ্যে অবাক লাগে যে আমি টানা তিন মাস ঘরের মধ্যে আছি! কিন্তু কিচ্ছু করার নেই। অফুরন্ত সময় হাতে। ব্যস্ত জীবনে নিজেকে নিয়ে ভাবার খুব একটা সময় পেতাম না। এখন বারবার মাথার মধ্যে ফেলে আসা দিনের হিসাব-নিকাশ ঘোরাফেরা করে। সেখান থেকে উপলব্ধি করেছি, এখন থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেব যাতে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে একটা স্থিরতা থাকে। কোয়ালিটি অব লাইফ, কোয়ালিটি অব ওয়ার্ক বলতে যা বোঝায়।