কীট সংকটের কারণে করোনা পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শনাক্তের সংখ্যা তলানীতে চলে এসেছে। যেখানে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন শতাধিক করোনা রোগী শনাক্ত হতো সেখানে গত ২৪ ঘন্টায় মাত্র ২৬ জনের শরীরে নতুন করে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
এ নিয়ে নারায়ণগঞ্জে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭২৬। মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন মো. ইমতিয়াজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, মঙ্গলবার তথা গত ২৪ ঘন্টায় (২২ জুন সকাল ৮টা হতে ২৩ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত) জেলায় ২৮৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মোট নমুনা সংগ্রহ হলো ২২৬৩২ জনের। নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ জন, মোট আক্রান্ত ৪৭২৬ জন। নতুন আরও কোন সুস্থ নেই, মোট সুস্থ ২৪৭১ জন। মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১০৭।
নতুন তথ্যানুসারে এলাকা ভিত্তিক করোনা রোগীর সংখ্যা হলো- আড়াইহাজার উপজেলায় ৪৫৯, বন্দর উপজেলায় ১৫৭, সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৬০৮, রূপগঞ্জ উপজেলায় ৯৬২, সদর উপজেলায় (ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও সদর থানা) ১১৩১ ও সোনারগাঁও উপজেলায় ৪০৯ জন। পুরো জেলায় ৪৭২৬ জন।
এলাকা ভিত্তিক সুস্থের সংখ্যা আড়াইহাজার উপজেলায় ৩১৫, বন্দর উপজেলায় ৬৬, সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯৬৫, রূপগঞ্জ উপজেলায় ১৯২, সদর উপজেলায় (ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও সদর থানা) ৪৫৯ ও সোনারগাঁও উপজেলায় ১৭৪ জন। পুরো জেলায় ২৪৭১ জন।
এলাকা ভিত্তিক এ যাবৎ প্রাণ হারিয়েছে আড়াইহাজার উপজেলায় ৩, বন্দর উপজেলায় ৩, সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫৮, রূপগঞ্জ উপজেলায় ৮, সদর উপজেলায় (ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও সদর থানা) ২২, সোনারগাঁও উপজেলায় ১৩ জন। পুরো জেলায় ১০৭ জন।
এদিকে গত ৫ দিন ধরে রূপগঞ্জ ছাড়া পুরো জেলায় কীট সংকটের কারণে করোনা পরীক্ষা বন্ধ থাকায় আক্রান্ত চিহ্নিতের হার কমে গেছে। জেলা করোনা ফোকাল পার্সন ডা. জাহিদুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে জানান, ৫ দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার থেকে খানপুর করোনা হাসপাতালে স্যাম্পল সংগ্রহ পুণরায় শুরু হয়েছে। এই স্যাম্পলগুলো ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠানো হবে।