নারায়ণগঞ্জে জেকেজি হেলথ কেয়ারের কার্যক্রম বন্ধ

করোনার রিপোর্ট জালিয়াতি ও সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগে শীর্ষ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জে জেকেজি হেল্থ কেয়ারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

মঙ্গলবার ঢাকার তেজগাঁও থানা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। একইদিন নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন মো. ইমতিয়াজ স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে জেকেজির সকল কার্যক্রম স্থগিত করে বন্ধের নির্দেশ দেন। 

চিঠিতে উল্লেখ করেন, জেকেজি হেলথ কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানটি নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ও এম ডব্লিউ স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে নমুনা সংগ্রহের কাজ পরিচালনা করছেন। আপনাদের নমুনা সংগ্রহের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির মতামত চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোন প্রকার সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তাই পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত জেকেজি হেলথ কেয়ারের সন্দেহজনক করোনা আক্রান্তদের নমুনা সংগ্রহের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করা হল।

এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও অঞ্চল মঙ্গলবার জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল চৌধুরীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ বলছে, অন্তত ৩৭ জনকে ভুয়া ফল দেওয়ার বিষয়টি তারা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য পাঁচটি ল্যাপটপ, দুটি ডেস্কটপ এবং করোনার নমুনা সংগ্রহের তিন হাজার কিট জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, গত ১৫ এপ্রিল করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহের জন্য শহরের কালির বাজার এলাকায় নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলে এবং সিদ্ধিরগঞ্জে এম ডব্লিউ স্কুলে দুইটি সেন্টারে জেকেজি হেলথ কেয়ারের তত্ত্বাবধানে ছয়টি বুথ চালু করা হয়েছিল।