বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডা. কামরুল হাসান খান ১৯৫৫ সালের ১২ মার্চ টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার ভাবনদত্ত গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮২ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অফ পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিকেল রিসার্চ বা আইপিজিএমআরে (পরে নামকরণ করা বিএসএমএমইউ) যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০১৫ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২০১৮ সালের ২৩ মার্চ পর্যন্ত বিএসএমএমইউ-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দেশে করোনা মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি এবং স্বাস্থ্য খাতে নানা সংকট নিয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন ডা. কামরুল হাসান খান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তরের সম্পাদকীয় বিভাগের অনিন্দ্য আরিফ
দেশ রূপান্তর : এখন দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার দ্রুতগতিতে বাড়ছে। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন বাংলাদেশ এখন সংক্রমণের মাঝারি পর্যায়ে থাকলেও তা ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে যেকোনো সময় এটা সর্বোচ্চ দ্রুত সংক্রমণের পর্যায়ে যেতে পারে। সংক্রমণের এই হার কোন পর্যায় পর্যন্ত যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
কামরুল হাসান খান : এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। কেননা, একটা সংক্রমণ কতদূর বিস্তৃতি লাভ করবে সেটা নির্ভর করে পদক্ষেপের ওপর। সেদিক থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম থেকেই সময়োপযোগী এবং বাস্তবসম্মত নির্দেশনা দিয়েছিল। যখন কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা নির্দেশনা দেয়, তখন সেটার ওপর নির্ভর করে নীতিমালা প্রণয়ন করে বাস্তবায়নে যেতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা দেখছি, শুরু থেকে এর ব্যত্যয় ঘটেছে এবং সংক্রমণ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রস্তুতি এবং পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা শুরু থেকে ভুল করে চলেছি। এখনো যে আমরা সঠিক পথে আছি, সেটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। সে কারণে সংক্রমণের এ ধারা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা কেউ বলতে পারছে না। গত এক সপ্তাহ বা দশদিন ধরে বিশ্বে সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগামী রয়েছে। সেদিক থেকে বাংলাদেশের সংক্রমণের পর্যায়ও ঊর্ধ্বমুখী আছে এবং মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে।
গত ২৪ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত বাংলাদেশে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬,৪৮,০১১ জনের আর শনাক্ত হয়েছে ১,১৯,১৯৮ জনের। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫৪৫ জনের। কিন্তু এরপরেও গোটা দেশে এ সংক্রমণ কতটা ছড়িয়ে পড়েছে তা নিরূপণ করতে আমরা পারছি না। বর্তমানে দেশে ৬২টি পরীক্ষাকেন্দ্র থাকলেও তা অপর্যাপ্ত। সেজন্য আমরা তাদেরই পরীক্ষা করতে পারছি যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বা তাদের আত্মীয়স্বজনরা যোগাযোগ করছেন। মহামারীর সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনেকগুলো কাজের মধ্যে একটি প্রধান কাজ হলো সার্ভিলেন্স করা। কিন্তু এরকম সার্ভিলেন্সের কোনো তথ্য আমার জানা নেই। ধারণাপ্রসূতভাবেই সবকিছু করা হচ্ছে। তাই সংক্রমণ কতটা ঊর্ধ্বমুখী হবে বা কতদিনে তা নিচের দিকে নেমে যাবে তা বলা যাবে না। তবে এগুলো নির্ভর করে কতটা ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বা কতটা প্রতিরোধ করা যাবে, তার ওপর।
দেশ রূপান্তর : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপসহ সার্বিক পরিস্থিতিতে হতাশা প্রকাশ করেছেন চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের সদস্যরা। বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?
কামরুল হাসান খান : চীনের বিশেষজ্ঞ দলের সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা। ওদের যে বক্তব্য সেটা আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়। উহানে যখন সংক্রমণ শুরু হলো, তখন থেকেই আমরা কথাগুলো বলে আসছি। আমাদের কোথায় গলদ রয়েছে, সেটা আমি যেমন জানি, তেমনি আপনারাও জানেন। কিছুক্ষণ আগে গণমাধ্যমের মারফত জানলাম যে মেয়ররা বলছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যেহেতু ম্যাপ দিতে পারছে না, তাই তারা লকডাউনে যেতে পারছেন না। অথচ চীনে শুরু থেকেই লকডাউন কার্যকর করা হয়েছিল। তারা যে ১২টা কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, তারমধ্যে প্রথমেই ছিল লকডাউন। এছাড়া তারা দ্রুত হাসপাতাল নির্মাণ, চিকিৎসকের ঘাটতি পূরণে পদক্ষেপ, ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়াসহ নানা পদক্ষেপ এর মধ্যে ছিল। এমনকি যারা ভাইরাস লুকিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। এরকম পদক্ষেপ নেওয়ার ফলেই সেখানে তিনমাসে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। কিন্তু আমরা কেন কিছুই করলাম না।
আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, তাই আমাদের সক্ষমতা কম। কিন্তু তাই বলে কিছুই করা যাবে না, তা তো হতে পারে না। সারা বিশ্বে যখন পরীক্ষা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, তখন আমরা কেন পরীক্ষা বাড়াতে পারিনি? স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছ থেকে কি কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে? কেন আমরা দুই থেকে আড়াইমাস একটা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা করালাম? আর ওটা তো একটা গবেষণা ল্যাবরেটরি। অনেকগুলো ল্যাবরেটরি তো ছিল, যাদের করোনার ডায়াগনোসিস করার সক্ষমতা আছে। তাহলে এমন সিদ্ধান্ত কেন হলো? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম থেকেই বলে আসছে, পরীক্ষা, পরীক্ষা আর পরীক্ষা। সরকারও তার সঙ্গে একমত হয়েছে।
এখানে একটা কথা বলা দরকার। রাজনৈতিক দলগুলো যখন ক্ষমতায় আসে, তখন সমস্ত দায়দায়িত্ব যেন তাদের ওপরেই থাকে। আমরা যারা বাস্তবায়নের দায়িত্বে, তাদের কি জবাবদিহির দায় নেই? আমরা তো এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারছি না। সমস্ত দায় তো রাজনীতিবিদদের হতে পারে না। আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ সবাইকে তো সুপারিশ পাঠাতে পারি, পরামর্শ দিতে পারি। সেগুলো তো আমাদের দায়িত্ব। তা তো আমরা করছি না। এখানে কিন্তু গবেষণার তেমন কাজ নেই, মূল কাজ ব্যবস্থাপনার। আমাদের মূল দুর্বলতা হলো ব্যবস্থাপনায়। আমার চার দশক ধরে চিকিৎসক আন্দোলনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি যে আমাদের কাঠামোগত সংকট বা জনবলগত সংকটের চেয়ে বড় সংকট হলো নেতৃত্বের। এখানে চেইন অফ কমান্ডের অভাব রয়েছে এবং সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। তাই ব্যবস্থাপনার সংকটটাই মূল বিষয়।
দেশ রূপান্তর : এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিকের কাছাকাছি চিকিৎসক করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। অথচ চিকিৎসকদের সুরক্ষার জন্য যেসব মাস্ক ও পিপিই কেনা হচ্ছে, সেগুলোর মান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী?
কামরুল হাসান খান : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম থেকেই সতর্ক করে দিয়েছে যাতে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ সুরক্ষা দেওয়া হয়। আমার জানা মতে, প্রায় ৫০ জনের কাছাকাছি চিকিৎসক মৃত্যুবরণ করেছেন এবং ১২০০ চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন। তারা কিন্তু কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদের কোয়ারেন্টাইন দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৪ হাজারের মতো স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। এজন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছে। কেননা তারা যদি আক্রান্ত হয়, তাহলে চিকিৎসাটা কে দেবে? অথচ বাংলাদেশে এরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় তো একজন চিকিৎসকও আক্রান্ত হননি। কেননা, তারা চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের চিকিৎসা সামগ্রীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পেরেছে। কিন্তু বাংলাদেশে এক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে দুর্নীতির কথা উঠেলেই সবার আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কথা আসে। আমরা যখন এত বড় সংকট মোকাবিলা করছি তখন এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি ক্রয়ের প্রসঙ্গেই দুর্নীতির অভিযোগ আসছে। যারা এ দুর্নীতির বিষয়ে কথা বলছেন, তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। অথচ দুর্নীতি রোধ করা হচ্ছে না। মুগদা মেডিকেল কলেজে আমরা এরকম ঘটনা দেখলাম। হাসপাতালের পরিচালককে অব্যাহতি দেওয়া হলো। যেসব চিকিৎসক এসব মানহীন সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহণ করতে চাননি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দৃষ্টান্ত দেখা গিয়েছে। কিন্তু যারা দুর্নীতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই করোনা প্রতিরোধ করতে হলে দুর্নীতি রোধ করতে হবে। যারা এ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার করতে হবে।
দেশ রূপান্তর : করোনা মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে ৬টি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিল, তা ঠিকভাবে পালন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এক্ষেত্রে সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করা হচ্ছে।
কামরুল হাসান খান : আমাদের বাস্তবায়ন পর্যায়ে নেতৃত্বের সংকট, চেইন অফ কমান্ডের সংকট এবং সমন্বয়ের সংকট রয়েছে। সব মিলিয়ে এক ধরনের অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পর্যায়ক্রমে ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে প্রথমেই ছয়টি দিয়েছে। প্রথমে তারা বলেছে : কন্ট্রোল অফ সোর্স। তারপরে বলেছে : ডায়াগনোসিস। আমরা দেখেছি যে অনেক দেশ লকডাউন ছাড়াই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনেছে। যেমন : দক্ষিণ কোরিয়া, হংকং। হংকংয়ে তো ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে রেস্তোরাঁয় খেতে যাচ্ছে। এটা তারা পেরেছে কেননা তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেছে। তাই মাস্ক পরে দূরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আর যুক্তরাষ্ট্র বলছে দুই মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আমাদের হাঁচি-কাশি তো অনেক দূর পর্যন্ত যায়। চীন গবেষণায় দেখিয়েছে যে একটি কাশি দিলে তা ১৩ ফিট পর্যন্ত যায়। তাই আমাদের ৩ ফিটের যে নির্দেশনা রয়েছে, সেটি নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। গবেষণা করে জনগণকে সঠিক তথ্য দিতে হবে।
দেশ রূপান্তর : বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সবগুলো রেড জোনকে একই সঙ্গে কার্যকর করার কথা বলছে। আপনার পরামর্শ কী?
কামরুল হাসান খান : আমার একটু ভিন্ন পরামর্শ রয়েছে। আমি বলেছি, চারটি জোন করা উচিত। আমার মতে সরকার করোনা পরীক্ষার জন্য যে ৬২টি পরীক্ষাকেন্দ্র ঠিক করেছে, তা বাংলাদেশের বাস্তবতায় ঠিক আছে। আমি যদি ধরে নিই যে দেশে ১৮ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ২০ লাখ আক্রান্ত হবে, তাহলে সংখ্যাটি কিন্তু খুব বেশি নয়। তাই এক্ষেত্রে দেশের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ এলাকা করোনামুক্ত আছে। আমার প্রস্তাব হলো চারটি জোন করা। প্রথম জোনটি হবে গ্রিন জোন অর্থাৎ করোনামুক্ত এলাকা। এখানে জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে। তবে স্ট্রং সুপারভিশন থাকতে হবে। এটা আমাদের পক্ষে করা সম্ভব। আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার নেটওয়ার্ক খুব শক্তিশালী। গ্রাম পর্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিক আছে। তাই জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে টিম গঠন করতে হবে। যদি কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি গ্রিন জোনে আসে, তাহলে তাকে ইয়েলো জোনে নিয়ে যেতে হবে। এইভাবে গ্রিন, ইয়েলো, ব্লু এবং রেড জোনে বিভক্ত করতে হবে। স্ট্রং সুপারভিশন থাকলে দেশের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ এলাকা রক্ষা করা সম্ভব। আমার আরেকটি প্রস্তাব হলো, জেলা পর্যায়ে প্রাতষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থাকতে হবে। যে ব্যক্তি আক্রান্ত হচ্ছে, সে তো ছড়াচ্ছে। তাই তাকে কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রাখলে সে ছড়াতে পারবে না। এজন্য শুধু হাসপাতাল নয়, স্কুল, কলেজ এমনকি উন্মুক্ত স্থানে তাবু টাঙিয়েও তা করা যেতে পারে। এরপর আমরা ইয়েলো জোনকে গ্রিন জোনে পরিণত করার কাজে নিয়োজিত হব। যারা ইয়েলো জোনে আক্রান্ত হবে, তাদের ব্লু জোনে নিয়ে নেব বা সুস্থ করে গ্রিন জোন করব। আর ব্লু জোন এবং রেড জোনে সব চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। লকডাউনের ক্ষেত্রে কঠোর হতে হবে এবং মানবিক আচরণ করতে হবে। আর লকডাউন একসঙ্গে কার্যকর করতে হবে। রাজাবাজারে যেভাবে লকডাউন করা হয়েছে, সেটা ঠিক আছে। এরকম লকডাউন করতে হবে। রেড জোনে সব চাকরিজীবীর ছুটির ব্যবস্থা করতে হবে।
দেশ রূপান্তর : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
কামরুল হাসান খান : আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।